
#মালবাজার: নিষিদ্ধ ওষুধ এবং মাদক পাচারকারী চক্র বেশ সক্রিয় ডুয়ার্স জুরে। মাঝেমধ্যেই পুলিশি ধরপাকড় হলেও সম্পূর্ণভাবে থামানো যাচ্ছে না এই বেআইনি কারবারকে। এখন অল্প কিছু টাকার লোভে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারাও ড্রাগস প্যাডলারের কাজ করছে। যদিও পুলিশ মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

ড্রাগস বিরোধী অভিযানে মালবাজার থানার পুলিশের আবারও বড় সাফল্য। বিপুল পরিমাণে নিষিদ্ধ ওষুধ সহ গ্রেফতার হলো এক ব্যক্তি। ধৃত অদেশ রাউত চায়ের দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরেই এই মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ ছিল পুলিশের। তাকে হাতেনাতে ধরতেই বেশ কিছুদিন ধরে সাদা পোশাকের পুলিশ তার গতিবিধির ওপর নজর রাখছিল।

মালবাজার শহরের ঘড়ি মোড় এলাকায় ভরা বাজারের মধ্যে নিজের দোকানে মজুদ করা ছিল এই নিষিদ্ধ ট্যাবলেট এবং কাফ সিরাপ গুলো। শনিবার রাতে আচমকাই আইসি সমীর তামাং-এর নেতৃত্বে হানা দেয় মালবাজার থানার পুলিশ। মাল ব্লক উন্নয়ন অধিকারিক রশ্মিদীপ্ত বিশ্বাসের উপস্থিতিতে তল্লাশি শুরু করতেই উদ্ধার হয় নিষিদ্ধ ওষুধগুলো। পুলিশ সূত্রে খবর নিষিদ্ধ ওষুধের মধ্যে “স্টেরয়েড” জাতীয় মারাত্মক ক্ষতিকর ওষুধ পাওয়া গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এনডিপিএস-এর নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ধৃত অদেশ রাউতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরো তথ্য আদায়ের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করবে মালবাজার থানার পুলিশ। প্রসঙ্গত, এর আগেও ধৃত ব্যক্তিকে দু-বার গ্রেফতার করেছিল মালবাজার থানার পুলিশ। পুলিশের এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে সমাজসেবী এবং ঘড়ি মোড় সংলগ্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা।

ডুয়ার্সের সমাজসেবী অভিষেক ঘোষ বলেন, “যুব সমাজকে পঙ্গু করছে ড্রাগস, সেই কারণেই আমরা বিভিন্ন ভাবে জনগণকে সচেতন করার চেষ্টা করি। আর এই ড্রাগসের অতিরিক্ত সেবনের ফলেই বেড়েছে অপরাধের ঘটনা, পুলিশের এই অভিযানে স্থানীয় মানুষদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন স্থানীয় অভিভাবক মহলের দাবি, নিষিদ্ধ মাদকের কারবার বন্ধ করতে আরও সক্রিয় হতে হবে প্রশাসনকে।






