#মালবাজার: মেটেলি ব্লকের এক প্রত্যন্ত গ্রাম মঙ্গলবাড়ি বস্তি। চালসা থেকে ময়নাগুড়ি গামী জাতীয় সরকের পাশেই রয়েছে ডুয়ার্সের অন্যতম বড় হাট মঙ্গলবাড়ি। প্রতি বৃহস্পতিবার হাট বসে। হাট পেরিয়ে খানিক পুর্ব দিকে গেলেই পড়বে মঙ্গলবাড়ি বস্তি। বেশির ভাগ মানুষ কৃষিজীবি ও তপসীলি জাতি ও উপ জাতি সম্প্রদায়ের। গ্রামের কিছু দূর দিয়ে বয়ে গেছে মুর্তি নদী। নদীর পুর্ব দিকে রয়েছে চাপ্রামারি বনাঞ্চল। এহেন এক গ্রাম গত দুই মাস ধরে বুনো হাতি এই গ্রামকে টার্গেট করে ফেলেছে। প্রায় প্রতি রাতেই হামলা চালাচ্ছে।

গত রবিবার রাতে গ্রামের বাসিন্দা সহদেব রায়ের বাড়িতে হামলা চালায়। রান্নাঘর সহ অন্যান্য দেওয়াল ভেঙে তছনছ করে। জমা খাওয়ার খেয়ে চলে যায়। গত শুক্রবার রাতে রুপেশ ওঁরাও নামে এক ব্যাক্তির বাড়ি ভেঙে ঘরের খাওয়ার খোঁজা শুরু করে। কোনক্রমে পালিয়ে বাঁচে বাড়ির লোকজন। সেই সময় রুপেশ ওঁরাও জখম হয়। বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
শুধু এই দুটি ঘটনাই নয়, গত দুই মাস যাবৎ প্রায় রাতেই হাতির হামলা ঘটে চলছে। এর আগে প্রান হানীর ঘটনাও ঘটেছে।

ফসলের ক্ষেতে হামলা চালিয়ে খেয়ে চলে যাচ্ছে। আশেপাশের কয়েকটি গ্রামে এই ঘটনা মাঝেমধ্যে ঘটে। বাসিন্দারা জানান, প্রায় প্রতি রাতেই হাতি আসে রান্না ঘরে হানা দেয়। দেওয়াল ভেঙে খাওয়ার খেয়ে চলে যায়। ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায়না। বনবিভাগের নিয়মিত টহল দেওয়া উচিত। চালসার পরিবেশ প্রেমী মনবেন্দ্র দে সরকার বলেন, মুলত খাওয়ারের খোঁজে বুনো হাতির দল বস্তিতে হানা দেয়। যেদিন র্যাশান তোলে কিম্বা বাজার করে সেদিন অবশ্য আসবে। বনাঞ্চল কাছে থাকায় এটা ঘটছে।

গতকাল আমি ওই এলাকায় গিয়েছিলাম। মানুষ যথেষ্ট সন্ত্রস্থ। আমি স্থানীয়দের সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছি। কিন্তু, বৃষ্টির রাতে কিছুই করার থাকেনা। বনকর্মীরা অবশ্য জানান, আমরা টহলদারি করি। কিন্তু, অন্যান্য জায়গায় যেতে হয়। সীমিত কর্মী নিয়ে কিছু করার থাকেনা। তবে আবেদন করলে ক্ষতিপূরণ পায়।






