
#মালবাজার: ডুয়ার্সে গরম পড়তেই ও বর্ষা আসতেই মশার উপদ্রব শুরু করে।মশা বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। মশার উপদ্রব ঠেকাতে মশার কয়েল, তেল, এমনকি ডিমের প্যাকেট পোড়ানো সহ নানা উপায় অবলম্বন করে মানুষ। তবুও মশার গুনগুনানি থামানো যায় না। চলতি বছরে ডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরের আগাম সতর্ক বার্তা ছিল। এজন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে গত এপ্রিল মাস থেকে পৌর কর্মী ও স্বাস্থ্য কর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে সচেতনতার বার্তা দিয়েছেন।

বাড়িতে জল জমে আছে কি না? তা সরজমিনে দেখেছেন। নালা নর্দমা পরিস্কার করে মশা মারার তেল দেওয়া হয়েছে। এত কিছুর পরেও মশা উপদ্রব কিন্তু, কমেনি। বরং মশা বাহিত ডেঙ্গু রোগ ছোবল মারতে শুরু করেছে। এতেই উদ্বেগ বেড়েছে পৌরসভা, স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে সাধারণ মানুষের। জানাগেছে, কিছুদিন আগে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা কিছুদিন আগে বেঙ্গালুরু শহর আসেন।

জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গে ভুগছিলেন। এদিক ওদিক থেকে ওষুধ সেবন করছিলেন। পৌর কর্মীরা জানতে পেরে তাকে পরীক্ষা করায়। তার ডেঙ্গু সংক্রমণ ধরা পড়ে। আপাতত তাকে বাড়িতে রেখে ডাক্তারের পরামর্শ মতো চিকিৎসা করা হচ্ছে। শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের এক বয়স্কা মহিলা জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গে ভুগছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসার পর তার শরীরে ডেঙ্গু সংক্রামণ ধরা পড়ে। বর্তমানে মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।

এদিকে লাগাতার বৃষ্টি ও গরমে মশার উপদ্রব ক্রমাগত বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু সংক্রামণ সনাক্ত হওয়ায় মানুষ উদ্বিগ্ন হয়েছে। কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের। এনিয়ে মাল পৌর সভার স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিক সুপ্রতিম সরকার বলেন, উদ্বেগ জনক পরিস্থিতি হয়নি। তবে মানুষকে সতর্ক হতে হবে। অনেকেই জ্বর হলে এদিক ওদিক ওষুধ খাচ্ছেন। এটা না করে ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা করা উচিত। পৌরসভা নিয়মিত সাফাই করছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোজ নিচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ করছে। মানুষকেও সতর্ক থাকতে হবে।





