
#মালবাজার: এক সপ্তাহ আগে নিখোঁজ হওয়া এক মহিলার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল মালব্লকের ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কুমলাই চাবাগান সংলগ্ন একটি নদীর বাশ ঝোপ থেকে। ঐ মহিলার দুই হাতের কবজি ও পায়ের গোড়ালি থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে। তবে যেভাবে ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়েছে তাতে পুলিশের অনুমান চিতাবাঘেই ঐ মহিলাকে মেরে খুবলে খেয়েছে। পুলিশ সুত্রেই জানা গিয়েছে মৃতার নাম ফুলমনি মুন্ডা।বয়স ৪৭। বাড়ি কুমলাই চা বাগানের বোরধুরা লাইন শ্রমিক মহল্লায়। উদ্ধারের পর দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিতাবাঘের আক্রমণে মহিলার মৃত্যুর ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, ওই মহিলা মানষিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে ।ওই মহিলা অনান্য দিনের মত গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। অনান্য দিন ফিরে এলেও সেদিন অনেক রাত হয়ে গেলেও ফুলমনি মুন্ডা বাড়িতে আর ফিরে আসেনি। তারপর থেকেই পরিবারের লোকেরা আশেপাশের এলাকা সহ নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে খোজ করেও ফুলমনিকে পাওয়া যায়নি। এরপরই বুধবার ফুলমনির মেয়ে আলিসা মুন্ডা মাল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। আজ সকালে চাবাগানের চৈতি নদীর পাশে চাবাগান সংলগ্ন একটি বাশঝোপের মধ্যে ফুলমনির খুবলে খাওয়া দেহ উদ্ধার করল মাল থানার পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে ঐ মহিলার ঘাড়ে কামড় দেওয়ার দাগ রয়েছে। এমনকি সারা শরিরে আচড়ের ছাপ স্পষ্ট রয়েছে। হাতের কবজি ও পায়ের গোড়ালি যেভাবে ছিড়ে খেয়েছে এটা একমাত্র চিতাবাঘের দাড়াই সম্ভব বলে পুলিশের অনুমান । যদিয় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে তদন্ত করি অফিসাররা জানিয়েছেন।

ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে জায়গায় ফুলমনির দেহ উদ্ধার হয়েছে সেই জায়গাটি চিতা প্রবন এলাকা। ঐ এলাকায় প্রচুর হাস মুরগী ছাগল গরু এমনকি শুয়োর সহ বহু গৃহপালিত পশু কে খেয়ে ফেলেছে চিতাবাঘ। তাদেরও ধারণা ঐ মহিলা চিতাবাঘের শিকার হয়েছে। এই বিষয়ে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে কোন মতামত পাওয়া যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।








