
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ জাতীয় সড়কে টোটো চলাচল নিষিদ্ধ। অথচ সেই নিষেধাজ্ঞাকে কার্যত উপেক্ষা করেই ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর দাপিয়ে চলছে টোটো—এমনই গুরুতর অভিযোগ তুললেন উত্তর দিনাজপুর বাস ও মিনিবাস ওউনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্লাবন প্রামাণিক।

তাঁর অভিযোগ, শুধু জাতীয় সড়কে টোটো চলাচলই নয়, অনেক টোটোর গায়ে নির্দিষ্ট রুটের নামও লেখা রয়েছে। ফলে কোন রুটে টোটো চলবে, তা যেন নিজেরাই নির্ধারণ করে নিয়ে অনায়াসে জাতীয় সড়কে যাতায়াত করছে টোটোগুলি। এতে একদিকে যেমন জাতীয় সড়কে যানজট ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে, অন্যদিকে নিয়ম মেনে যাত্রী পরিবহণ করা বাস ও মিনিবাসগুলিও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে বলে দাবি বাস মালিক সংগঠনের।

প্লাবন প্রামাণিকের বক্তব্য, “জাতীয় সড়কে টোটো চলাচল নিষিদ্ধ থাকার পরেও কীভাবে রুট নির্দিষ্ট করে টোটো জাতীয় সড়কে চলছে, সেটাই আমাদের প্রশ্ন। প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।”

বাস মালিকদের অভিযোগ, টোটোর সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকায় যাত্রী পরিবহণের ক্ষেত্রে বাস ও মিনিবাসের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে জাতীয় সড়কের উপর টোটোর অবাধ চলাচল বন্ধ না হলে পরিবহণ ব্যবস্থায় আরও সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তাঁদের দাবি, জাতীয় সড়কে টোটো চলাচলের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশিকা কার্যকর করার পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান চালানো হোক। একই সঙ্গে কোন রাস্তায় টোটো চলতে পারবে এবং কোন রাস্তায় পারবে না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা। বাস মালিক সংগঠনের এই অভিযোগ ঘিরে এবার প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে পরিবহণ মহল।






