
#মালবাজার: প্রকৃতি র নবজাগরণের বার্তা নিয়ে মালবাজার মহকুমার পশ্চিম ডামডিমে চেল নদীর ধারে ধুমধাম করে পালিত হলো আদিবাসী সমাজের অন্যতম প্রধান উৎসব সারহুল। চেল নদীর তীরে শক্তি স্তম্ভ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই উৎসব ঘিরে ছিল উৎসাহ, উদ্দীপনা এবং বিপুল জনসমাগম হয়। সারনা ধর্মাবলম্বী কয়েকশো মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজে ধামসা-মাদলের তালে নাচ-গানে অংশ নেন। মূল পূজা অনুষ্ঠিত হয় শক্তি কুঠার নির্দিষ্ট পূজাস্থলে, যেখানে প্রকৃতির দেবতাকে সন্তুষ্ট করতে বিশেষ আচার ও প্রার্থনা করা হয়।

উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গণবিবাহ অনুষ্ঠান। এদিন মোট ৭০ জোড়া দম্পতির সামাজিকভাবে বিবাহ সম্পন্ন হয়, যা উপস্থিত মানুষের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ সৃষ্টি করে। উৎসব উপলক্ষে কয়েক হাজার মানুষের ভিড় জমায়েত হয় এলাকায়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে মোতায়েন ছিল মালবাজার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকার ফলে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় অনুষ্ঠান। চলে রাত পর্যন্ত মেলা।

সারহুল উৎসব আদিবাসী সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা মানুষ ও প্রকৃতির নিবিড় সম্পর্কের প্রতীক। এদিন এই আয়োজন সেই ঐতিহ্যকেই আরও একবার তুলে ধরল। এদিন উপস্থিত ছিলেন, আদিবাসী নেতারা, জলপাইগুড়ি জেলার সাংসদ ড: জয়ন্ত রায়, মাল বিধান সভার বিজেপি পার্থী শুক্রা মুন্ডা এবং ঝাড়খন্ডের আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী চামরা লিন্ডা সহ অন্যান্যরা।








