#মালবাজার: মেটেলি ব্লকের প্রত্যন্ত চাবাগান এলাকায় মঙ্গলবার বাইকে চেপে শ্রমিক মহল্লায় ঘুরে ঘুরে ম্যারাথন প্রচার সারলেন নাগরাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃনমুল কংগ্রেস প্রার্থী সঞ্জয় কুজুর। মেটেলি ব্লকে ১০টি সেট চাবাগান ও বেশকিছু ছোট চাবাগান রয়েছে। ভোটারদের সিংহভাগ চাবাগান এলাকার বাসিন্দা। স্বাভাবিক ভাবে ভোট প্রার্থীদের চাবাগানের ভোটারদের দিকে নজর দিতে হয়। একটি চাবাগান থেকে অন্য চাবাগানের দুরত্ব প্রায় ৩-৪ কিমি। একটি চাবাগানের শ্রমিক মহল্লা থেকে অন্য চাবাগানের শ্রমিক মহল্লায় যাওয়ার রাস্তা যথেষ্ট উন্নত নয়।

এই রকম পরিবেশে এক চাবাগান থেকে অন্য চাবাগানে পা’য়ে হেটে যাওয়া কষ্টকর। গাড়িতে যাওয়া সমস্যা জনক। এইরকম পরিবেশে দ্রুত চলাচলের একমাত্র মাধ্যম মোটর বাইক। সেই বাইককেই ভরসা রেখে মঙ্গলবার সমর্থক ও কর্মীদের নিয়ে প্রার্থী সঞ্জয় কুজুর সকাল সকাল পৌঁছে যান কিলকোট চাবাগানে। সেখানে শ্রমিক মহল্লায় পৌঁছে শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করেন। কিলকোট এক রুগ্ন চাবাগান নানান সমস্যায় রয়েছে। সঞ্জয়বাবু শ্রমিকদের মুখে সমস্যার কথা শোনেন। তাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।

এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে পাঠের ইন্ডং চা বাগানে যান। সেখানেও একই ভাবে শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করেন তাদের সমস্যার কথা শোনেন। সমস্যা মতন এর আশ্বাস দেন এবং ভোট প্রার্থনা করেন। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে আইভিল চা বাগান হয়ে চলে আসেন চালসা গোলাই এলাকায়। সেখানে দোকানে দোকানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের অনুকূলে ভোট প্রার্থনা করেন।

সেখানে দুপুরের পর চলে আসেন বড়দীঘি চাবাগানে। সেখানে শ্রমিক মহল্লায় গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করেন। তাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। শ্রমিকদের সমস্যা মোচনের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেন। এইভাবে গোটা দিন মেটিলি ব্লকের চা বাগান গুলিতে বাইকে চেপে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ম্যারাথন প্রচার করেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সঞ্জয় কুজুর।

তিনি বলেন, এই এলাকায় রুগ্নচাবাগান রয়েছে সেখানে শ্রমিকদের সমস্যা রয়েছে। কিছু কিছু সমস্যা এর মধ্যেই মেটানো সম্ভব হয়েছে। এরপরে আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসবে এবং এই এলাকার চা বাগানগুল সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে। আমাদের নেত্রী চা বাগান এলাকায় শ্রমিক কল্যাণে একাধিক প্রকল্প চালু করেছেন। ভবিষ্যতে আরো কাজ হবে।






