#মালবাজার: বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে অবশিষ্ট প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেই তালিকাতে দেখা যায় মাল ২০/এসটি বিধানসভা আসনে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন নাগরাকাটা বিধানসভার গাঠিয়া চা বাগানের বাসিন্দা শুক্রা ওঁরাও। এই ঘটনা হতেই সমগ্র মাল বিধানসভা জুড়ে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

মালবাজার শহরে এক নম্বর ওয়ার্ডে গুরজংঝোড়া মোড় এলাকার অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর তলায় দলীয়কর্মীরা। প্লাস্টিকের চেয়ার টেবিল অন্যান্য আসবাবপত্র ভেঙে তছনছ করা হয়। বিজেপি কর্মীদের মধ্যে একটাই কথা শোনা যায় মাল এলা কি কি কোন বিজেপির প্রার্থী ছিল না। ৩০কিমি দূর থেকে অন্য বিধানসভা এলাকা থেকে লোক এনে প্রার্থী করতে হবে।

বিজেপির জেলা কমিটির নেতা মঙ্গল ওরাও পরিষ্কার বলেন, ” এইরকম প্রার্থী হওয়ার ফলে তৃণমূলের ওয়াকওভার হয়ে গেল। বহু পুরানো কর্মী থাকা সত্ত্বেও নানান দল ঘুরে আসা এক ব্যক্তিকে কেন পার্থী করা হলো। এবার তো কর্মীরা প্রচারেই নামবে না “। শুক্রা মুন্ডার বাড়ি নাগরাকাটা ব্লকের গাঠিয়া চাবাগানে। একটা সময় আদিবাসী বিকাশ পরিষদের নেতা হিসাবে উঠে আসা শুক্রা মুন্ডা ২০১৫ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। দলটাকে প্রার্থী করে এবং বিজয়ী হন।

২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান। তার আশা ছিল হয়তো বিজেপি তাকে প্রার্থী করবে। কিন্তু, বিজেপি নেতৃত্ব প্রার্থী করেছিলেন পুনা ভেংরা কে এবং তিনি বিজয়ী হন। নাগরাকাটা আসনে
বিজেপি এবার পুনা ভেংরাকে প্রার্থী করেছেন।।
অবশেষে শুক্রা মুন্ডা কে বিজেপি মাল বিধানসভা আসনে এবার প্রার্থী করেছে।

স্থানীয় এক বিজেপি নেতা বলেন, ভোটের প্রচারে গেলে মানুষ তো বলবেই এরপর সামান্য কাজে আমাদের কি নাগরাকাটা ছুটতে হবে? এর জবাব কি দেব। শুক্লা মুন্ডা প্রার্থী হওয়ায় মাল বিধানসভা এলাকার কৃষক শ্রমিক সমস্ত মহলেই এক হতাশা ও ক্ষোভ দেখা গেছে। যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের মধ্যে দিয়ে। বিজেপির নেতৃত্ব অবশ্য এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে চাননি।






