Explore

Search

May 19, 2026 9:56 pm

IAS Coaching

বনাঞ্চলে শুকনো পাতায় আগুন নেভাতে তৎপর দুই সমাজকর্মী

#মালবাজার: মালবাজার মহকুমার ক্রান্তি ব্লকের কাঠামবাড়ি থেকে ওদলাবাড়িগামী রাস্তায় আপালচাঁদ বনাঞ্চলের  চিড়াভিজা সংলগ্ন এলাকায় হঠাৎ দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিষয়টি নজরে পড়তেই আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন গোলাবাড়ি গ্রেটার মডেল প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক ও সমাজসেবী দীপক উড়াও এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী মোহাম্মদ নূর নবীবুল ইসলাম।
দীপক ওড়াও জানান, বাড়ি যাওয়ার সময় হঠাৎ জঙ্গলে আগুন জ্বলতে দেখেন তারা। সঙ্গে সঙ্গে আপালচাঁদ বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার নবাঙ্কুর ঘোষকে খবর দেওয়া হয়। এরপর আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য দুজনে মিলে আগুনের সামনে থাকা শুকনো পাতা হাত ও পা দিয়ে সরিয়ে ‘ফায়ার ডেড লাইন’ তৈরি করেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে পথচলতি আরও দুজন ব্যক্তি তাদের সঙ্গে যোগ দেন।
এদিকে সমাজসেবী মোহাম্মদ নূর নবীবুল ইসলাম বলেন, জঙ্গলে আগুন লাগানো অত্যন্ত বিপজ্জনক। বন আমাদের অক্সিজেন দেয় এবং পশুপাখির আবাসস্থল। আগুন ছড়িয়ে পড়লে বন্যপ্রাণী লোকালয়ে ঢুকে পড়তে পারে। খবর পেয়ে বন দপ্তরের কর্মীরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। রেঞ্জ অফিসার নবাঙ্কুর ঘোষ দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য দুই সমাজসেবীকে ধন্যবাদ জানান। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী কেউ সিগারেট খেয়ে অসাবধানতাবশত জঙ্গলে ফেলে দেওয়ায় শুকনো পাতায় আগুন ধরে যেতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বন দপ্তর।
পরিবেশ প্রেমী স্বরূপ মিত্র বলেন, সুখার মরসুমে বনাঞ্চলে গাছের পাতা ঝরে পড়ে। এই সময় শুকনো পাতায় যেকোনোভাবে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এটা বনাঞ্চলের পক্ষে অত্যান্ত খারাপ। মাটিতে  থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া সহ ছোট ছোট প্রাণী মারা যায়। জঙ্গলের পশুপাখি অসহিষ্ণু হয়ে পড়ে। এভাবে আগুন লাগলেই দমকলের খবর দিয়ে নিভিয়ে ফেলা উচিত।
Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja