#মালবাজার: পর পর মন্দিরের দানবাস্ক ভেঙে চুরি। সন্দেহভাজন এক যুবককে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিল মাল ডেইলি মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীরা।সোমবার ছিল শিব রাত্রি বিভিন্ন মন্দিরে ভক্তদের ভিড় দেখা গিয়েছিল।ভক্তদের দানে সমৃদ্ধ হয়েছিল মন্দিরে দানবাস্ক।রাত গভীর হতেই মন্দিরের সেবাই থেকে ভক্ত সবাই বাড়ি ফিরেছিল মন্দিরে ছিল পাথরের বিগ্রহ।

রাতের বেলা সেই সুযোগে মন্দিরে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। দানবাস্ক ভেঙে হাতিয়ে নেয় জমা খুচরা পয়সা সহ অন্যান্য সামগ্রী। সকালে সেবাইত এসে দেখেন দানবাস্ক ভাঙ্গা এবং ভিতরে ভক্তদের দেওয়া দানের অর্থ উধাও। সেই সাথে লোপাট হয়ে গেছে মন্দিরের ঘন্টা ও বাসনপত্র।
বাজার রোডের ভবানী মন্দির, লক্ষীনারায়ান মন্দির, দৈনিকবাজারের শিবমন্দিরে একইভাবে দানবাস্ক ভেঙ্গে চুরির ঘটনা ঘটে। শহরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

এইরকম পরিবেশে মঙ্গলবার সকালে শহরের দৈনিক বাজার এলাকায় এক ব্যবসায়ীর কাছে খুচরা পয়সার বদলে নোট নিতে যান এক যুবক। যুবকের পোটলার মধ্যে সিঁদুর মাখানো টাকা ও খুচরা পয়সা দেখে ওই দোকানের সন্দেহ হয়। তিনি যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। কিছু সময়ের মধ্যেই ভিড় জমে যায়।

বহিরাগত যুবকটি অবশ্য জানায় যে সে এখানে ঘুরতে এসেছে। খুচরা পয়সাগুলো এদিক ওদিক থেকে সংগ্রহ করা। চাপের মুখে ওই যুবক অবশ্য স্বীকার করে নেন যে সে মাঝে মধ্যে এদিক ওদিক চুরি করে। এরপরে এই ঘটনাস্থলে আছে মাল থানার পুলিশ। ব্যবসায়ীরা ওই যুবককে এবং তার কাছ থেকে পাওয়া খুচরা পয়সা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানায়, ডেলি মার্কেটের পাসে রয়েছে টাউন স্টেশন। সেখানে এবং পাশের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় নেশার আসর বসে। ডুয়ার্স ও পাহাড়ে যুবকেরা এখানে আসে সাথে জোটে স্থানীয় স্কুল পড়ুয়া থেকে যুবকরা চলে নেশায় আসর। এজন্য দোকান, মন্দির সহ আশেপাশের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোমবার বিকালে ওই এলাকা থেকে পুলিশ ব্রাউন সুগার নামের নেশার দ্রব্য সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। এভাবেই নেশার কারবার ও সেই সাথে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি ঘটায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ী থেকে আশেপাশের মানুষ।






