#মালবাজার: বুধবার সকাল ১১ টা নাগাদ মালবাজার শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অংকন শিক্ষক চিত্রশিল্পী সুব্রত বণিকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে মাল থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ সৎকারের আগেই সুব্রত বণিকের স্ত্রী বৈশাখী বণিক স্বামীর বোন অর্থাৎ ননদ সুপ্রিয়া বণিক দেবনাথ এবং তার স্বামী কৌশিক দেবনাথের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনে মাল থানায় এজাহার করেন। অন্যদিকে সুব্রত বণিকের মা মুক্তি বণিক বৃহস্পতিবার ছেলের বউয়ের বিরুদ্ধে মাল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। সেকথা তিনি স্বীকার করে বলেন, ” হ্যাঁ, আমি অভিযোগ করেছি।

শুধু তাই নয়, মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর বাড়িতে আনা হলে এখানে অনেকেই মৃত সুব্রত বণিকের মা ও বোনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এনিয়ে সাময়িক উত্তেজনা হয়। অবশেষে বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ তার মৃতদেহ নিয়ে মালবাজার শ্মশান ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়। সেখানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

শহরে একজন ভালো ও সদালাপী মানুষ হিসাবে সুব্রত বাবুর পরিচয় ছিল। তার বন্ধু মহলেও সুনাম ছিল। ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ বাড়িতে আনা হলে আশেপাশের পাড়া প্রতিবেশী সহ বহু মানুষ সেখানে উপস্থিত হন। একটি মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের মধ্যে পরস্পর বিরোধী অভিযোগ ওঠায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা কি থাকে? সেই দিকে তাকিয়ে আছে মানুষ।








