
#কলকাতা: এবার কি মুখ্যমন্ত্রীকে দেখা যাবে আইনজীবীর ভূমিকায়? বুধবার কি তিনি উপস্থিত হবেন সুপ্রিম কোর্টে? করবেন এসআইআর মামলার সওয়াল? এই প্রশ্নই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজধানী থেকে বাংলার রাজনীতির অলিতে গলিতে। মঙ্গলবার এসআইআর ইস্যুতে রাজধানী দিল্লি থেকে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআরের কারণে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের পরিজনদের দিল্লির বঙ্গভবনে সোমবার পুলিশি হেনস্থার অভিযোগে মঙ্গলবার কালো পোশাক পরে অবস্থানে বসেন তাঁরা। তাঁদের সঙ্গেই সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “সোমবারের বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমার আমাকে থ্রেট করেছিলেন, টেবিল চাপড়ে বলেছি এভাবে চিৎকার করবেন না!” হুঁশিয়ারির সুরে মমতা এও বলেন, “মনে রাখবেন, চেয়ার ইজ নট পার্মানেন্ট, পিপলস ইজ পার্মানেন্ট! আমরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। ফাইনাল তালিকায় গোলমাল হলে ছেড়ে কথা বলব না।” সেই সঙ্গে মমতার দাবি, ২৬ এর ভোটে আরও বেশি আসনে জিতবে তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, এসআইআর এর নামে বাংলায় সুপার এমার্জেন্সি চলছে।
তাঁর কথায়, এসআইআরের নামে যেভাবে মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে, তাতে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে, কার কাছে বিচার চাইবে—সেই প্রশ্নই উঠছে। তাঁর কথায়, “বারবার চিঠি দিয়েছি, কোনও উত্তর পাইনি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও মানা হচ্ছে না। তাই কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলাম। আর এখানেই দিল্লি পুলিশ দিয়ে আমাদের হেনস্থা করা হল।” তবে আগামীকাল সুপ্রিম কোর্টে মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত হবেন কিনা আইনজীবীর ভূমিকায় বা এস আই আর মামলায় কোন সওয়াল করবেন কিনা তা খানিকটা সময়ের অপেক্ষায়।








