#মালবাজার: ডুয়ার্সের চা বাগান গুলিতে চিতাবাঘের হামলা এবং তাদের উপস্থিতি আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। মাত্র ২০ ঘন্টার ব্যবধানে মাল ব্লকে দুটি চা বাগানে চিতাবাঘের উপস্থিতিতে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। প্রথম ঘটনাটি ঘটে ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বেতগুড়ি চা বাগানে। সোমবার বিকালে ওই চা বাগানের ৬ নম্বর সেকশনে কীটনাশক স্প্রে করছিলেন চা বাগানের শ্রমিক শুকলাল ওরাও (৪৫)। হঠাৎ চা বাগানের ঝোপের থেকে একটি চিতাবাঘ বেরিয়ে এসে তার ওপর আক্রমণ করে।

তার পিঠে হাতে ও পেটে থাবা বসিয়ে দেয়। প্রাণভয়ে চিৎকার করেন শুখলাল।তার চিৎকারে পাশেই কাজ করা অন্যান্য শ্রমিকরা হই হই করে ছুটে আসে। এতেই চিতাবাঘটি শিকার ছেড়ে পালিয়ে যায়। চা বাগান কর্তৃপক্ষ এবং শ্রমিকরা দ্রুত তাকে মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে ওই শ্রমিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ডাক্তাররা জানিয়েছে তার অবস্থা স্থিতিশীল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় মাল বন্যপ্রাণ শাখার কর্মীরা। তার চিকিৎসার খরচ বনদপ্তর বহন করবে বলে জানা গেছে।

জখম শুকলালের বাড়ি বেতগুড়ি চা বাগানের নামজি লাইন শ্রমিক মহল্লায়। এই ঘটনার কুড়ি ঘন্টার মধ্যেই পাশের নেপুছাপুর চা বাগানের ৬ নাম্বার সেকশনে বন দপ্তরের পাতা খাচায় ধরা পড়লো দুটি অপ্রাপ্তবয়স্ক চিতাবাঘ। চা বাগানের কর্মী মোহাম্মদ রব্বানী জানান, এই চা বাগানে বহু চিতাবাঘ রয়েছে।

চিতাবাঘের হামলায় জখম হয়েছে অনেকেই। বন দপ্তর কয়েকটি খাঁচা পেতেছে। আজ সকালে আমরা দেখতে পাই খাঁচার মধ্যে দুটি চিতাবাঘ আটকা পরে রয়েছে। ওদের বয়স আনুমানিক দেড় বছর হবে। খবর পেয়ে বন কর্মীরা তাদের উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। মাল বন্যপ্রাণ স্কোয়ার্ডের সূত্রে জানা গেছে, চিতাবাঘ দুটি অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং সুস্থ রয়েছে তাদের বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হবে।








