
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ একটি বিদ্যালয় কোনো এলাকার সম্পদ, শিশুদের জ্ঞানচর্চার পবিত্র স্থান। কিন্তু পুজোর ছুটির পর বরুয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার পর যে চিত্র চোখে পড়ল, তাতে স্তম্ভিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিদ্যালয়ের গেটের টিন ভাঙা, মাঠ জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নেশাজাতীয় দ্রব্যের বোতল, এমনকি কিছু স্থানে মানুষের মলের দাগও দেখা গেছে।

বিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন সময়ে এমন অমানবিক ও অসভ্য আচরণে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন—এই সমস্ত কার্যকলাপ কি কোনোভাবেই উন্নয়নের সহায়ক? শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন আচরণ কতটা যুক্তিসংগত?

বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহলও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রধান শিক্ষক শুভজিৎ সাহার মতে, এই পরিবেশে ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার আগ্রহ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অভিভাবকরাও প্রশাসনের কাছে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের বেলায় কিছু অসাধু ব্যক্তি বিদ্যালয়ের মাঠে বসে নেশা করে ও অশালীন কাজকর্ম চালায়। এর ফলে বিদ্যালয়ের সম্মান ও ভবিষ্যৎ উভয়ই প্রশ্নের মুখে। স্থানীয় সমাজকর্মী আকাশ বর্মনের বক্তব্য—যদি এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে “বিদ্যালয়” নামের এই পবিত্র স্থানের মর্যাদা আগামী প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যাবে। বিদ্যালয় রক্ষা এখন সময়ের দাবি।








