#মালবাজার: দুর্গা পুজোর আগে ডুয়ার্সের যে সমস্ত চা বাগানে এখনো পর্যন্ত বোনাস দেওয়া হয়নি সেই সব চা বাগানে কুড়ি শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার দাবিতে শুক্রবার মালবাজার সহকারি শ্রম আধিকারিকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাল কয়েকটি চা বাগানের শ্রমিকরা।
রাজ্যের শ্রম দপ্তর গত ২২শে আগস্ট এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ডুয়ার্স, তরাই ও পাহাড়ের চা বাগান গুলিতে ২০ শতাংশ হারে বোনাস দিতে হবে। সেই সময়সীমার মধ্যে প্রায় সত্তর শতাংশ চা বাগানে বোনাস হয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত বেশ কয়েকটি চা বাগানে বোনাস অধরা রয়ে গেছে।

এতেই ক্ষুব্ধ ওইসব চা বাগানের শ্রমিকরা।
শুক্রবার দুপুরে আদিবাসী বিকাশ পরিষদ প্রভাবিত প্রগ্রেসিভ টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতৃত্বে কয়েকটি চা বাগানের কয়েক শ শ্রমিক মালবাজার মিছিল করে বোনাসের দাবী জানায়। পরে সহকারি অধিকারীদের দপ্তরের সামনে বোনাস কবে দেওয়া হবে? জানতে চেয়ে বিক্ষোভ দেখান। প্রগ্রেসিভ টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতৃত্ব সহকারি সঙ্গে দেখা করে এই বিষয়ে নিষ্পত্তি চেয়ে স্মারকলিপি দেন।

এদিন নেতৃত্বে ছিলেন তেজ কুমার টোপ্পো, বাবলু মাঝি, অমরদান বাকলা,সুরেশ কেরকেট্টা প্রমুখ। সংগঠনের সম্পাদক বাবলু মাঝি বলেন, রাজ্য সরকার ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেওয়ার কথা ছিল। বেশিরভাগ চা বাগানে বোনাস দেওয়া হয়ে গেলেও মাল মহাকুমা এলাকায় রাজা, এলেনবাড়ি, বাগরাকোট, নাগেশ্বরী, মানাবাড়ি সহ কয়েকটি চা বাগানে এখনো পর্যন্ত বোনাস দেওয়া হয়নি।

মালিকপক্ষ বোনাস নিয়ে তালবাহানা করছে। দ্রুত যাতে বোনাস দিয়ে দেওয়া হয় তার জন্য আমরা শ্রম অধিকারীকের কাছে দাবি জানাতে এসেছি। অবিলম্বে বোনাস না দেওয়া হলে আমরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করব। প্রয়োজনে শিলিগুড়ি দাগাপুর শ্রম দপ্তরের ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাবো। এই বিষয়ে আধিকারিক শুভ্রজ্যোতি সরকার বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা ওয়াকিবহাল। অপর মহলে জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।









