
#মালবাজার: দুর্গাসপ্তমীর ঠিক একমাস আগে আচমকা বন্ধ হয়ে গেল নাগ্রাকাটা ব্লকের বামনডাঙা টন্ডু চা বাগান।শুক্রবার সকালে কাজে গিয়ে সাসপেনশন অব ওয়ার্কের নোটিস ঝুলতে দেখে হতবাক হয়ে ওঠেন শ্রমিকরা।অফিসের সামনে দেখাতে থাকেন বিক্ষোভ।অনিশ্চয়তার মধ্যে চলে গেল প্রায় ১২০০ শ্রমিকের ভবিষ্যৎ। বাগানের শ্রমিকদের পাক্ষিক বেতন নিয়ে সমস্যা চলছিল। সময় মতো মজুরী প্রদানে তালবাহনার সাথে আনুসাঙিক বকেয়া প্রদানে বিলম্বে শ্রমিকদের মধ্যে তৈরী হয় অসন্তোষ।

এই মাসের পাক্ষিক মজুরী দেওয়ার কথা ছিল ২৩ আগষ্ট।সেটাত দেওয়া হয় নি, কিন্তু কবে দেওয়া হবে তার ও নোটিস হয় নি।কোন রকমে পেট চালান শ্রমিকেরা বৃহস্পতিবার বাগানে ম্যনেজারকে ঘেরাও করে তার কাছে জানতে চায় কবে মজুরি দেওয়া হবে। এই ঘটনার পর বাগান সঞ্চালক রাতে বাগানের পরিচালকদের নিরাপত্তা নাই এই অজুহাতে সাস্পেনশন অব ওয়ার্কের নোটিস ঝুলিয়ে বাগান ছেড়ে চলে যান। 

চা বাগান মজদুর ইউনিয়নের সাধারন,সম্পাদক ও জয়েন্ট ফোরামের আহাবয়ক জিয়াউল আলম বাগান পরিচালকদের ভুমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সমস্ত অপারেটিং ট্রেড ইউনিয়নের পক্ষ থেকে মালের সহকারী শ্রম কমিশনারকে এক যৌথ চিঠিতে বামনডাঙা টন্ডু চা বাগানের পরিস্থিতি উল্লেখ করে বলেছেন এই বাগানে কতৃপক্ষ শ্রমিকদের সময়মত মজুরী প্রদানে আন্তরিক ও আগ্রহী নয়।

গত পাক্ষিক মজুরী প্রদানে ঢিলেমি ও খামখেয়ালী শুধু শ্রমিকদের মজুরী প্রদানে অনিশ্চয়তা তৈরী করেছে তাই নয় সৃষ্টি করেছে আইন শৃক্ষলার সমস্যা।অপারেটিং ট্রেড ইউনিয়নগুলি দ্রুত,হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন সহকারী কমিশনারকে। ২০১০ সালের পর থেকে এই বাগান অনিশ্চয়তার মধ্যে চলছে। প্রথমে বাগান হাতে যায় আমুটিয়া কোম্পানির কাছে। দুই এক বছর পরে পরিচালনার দায়িত্ব আসে পি সি মিত্তালের কাছে।

এরপর কিছুদিনের জন্য জণৈক অনুপম মিত্রর কাছে।এরপর চলে আসে পার্থ চ্যাটার্জি ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়ের হাতে। এখন,চলছে মার্চেন্ট মঙর এগ্রোটেক প্রাইভেট লিমিটেডের হাত ধরে।
মালবাজারের সহকারী শ্রম কমিশনার শুভ্রজিত সরকার বলেন বাগানের বিষয়টি তার নজরে আছে।আগামী সোমবার ১লা সেপ্টেম্বর মালিকপক্ষের সাথে এক মিটিং ডাকা হয়েছে।








