
#মালবাজার: গত দুইদিন সিকিমের পার্বত্য এলাকায় প্রবল বর্ষন চলে। সেই বর্ষনের জলধারা বয়ে আসে তিস্তা নদী দিয়ে। জলস্ফীতি দেখা যায় তিস্তা নদীতে।সিকিম গামী ১০ নম্বর জাতীয় সরকের উপর দিয়ে জনস্রোত বইতে থাকে। থমকে যায় ১০ নম্বর জাতীয় সরকের উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল। সেই জলধারা সমতলে প্রবেশ করতেই ঘোলা জল ঢুকে জলমগ্ন হয়ে পড়ে মাল ব্লকের বাগরাকোট গ্রাম পঞ্চায়েতের টটগাও বস্তি।

স্রোতস্বিনী তিস্তা পাহাড় থেকে নেমে যেই এলাকায় সমতলে প্রবেশ করে সেই এলাকার নাম টটগাও বস্তি। মাল ব্লকের এক প্রত্যন্ত গ্রাম।
এই এলাকায় নদী বাধ না থাকায় তিস্তায় জলস্ফীতি হলেই গ্রামে জল ঢুকে জলমগ্ন হয়ে পড়ে। নষ্ট হয় বিঘার পর বিঘা আবাদি জমি।
এইরকম ভাবে সোমবার রাতে তিস্তা নদীতে দল বাড়তেই হু হু করে গ্রামে জল ঢুকতে থাকে। যত রাত বাড়তে বাড়তে থাকে জলের মাত্রা ততই বাড়তে থাকে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এই জল প্রবেশের তারা অব্যাহত থাকে। জলমগ্ন হয়ে পড়ে গ্রামের প্রায় ৭০টি বাড়ি ও আবাদি জমি।

খবর পেয়ে রাতেই মালের ভিডিও রশ্মিদীপ্ত বিশ্বাস, জয়েন্ট ভিডিও তৌফিক আলী, প্রশাসনের কর্মীরা ও স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বন্যা পীড়িতদের দ্রুত পাশের এলেনবাড়ি চা বাগানের স্কুলে সরিয়ে আনা হয়। সেখানে খোলা হয় ত্রাণ শিবির। বিডিও রশ্মিদীপ্ত বিশ্বাস জানান, ৪৭টি পরিবারের ১৬৭ জন্য সরিয়ে আনা হয়েছে। তাদের ত্রানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাতভর ত্রানের কাজ করে সকালে খানিকটা জল কমতে তারপর বিডিও ও কর্মীরা মালে ফিরে আসেন।

গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক জানান, ত্রান শিবিরে থাকা বন্যাপীড়িতদের সকালের টিফিন ও দুপুরের খাওয়ার দেওয়া হয়েছে। শিশুদের বেবি ফুড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল দশটার পর থেকে বৃষ্টি না থাকায় জলের স্তর অনেকটাই কমে গেলে স্বস্তি ফেরে বাসিন্দাদের।






