Explore

Search

November 3, 2026 1:57 pm

IAS Coaching

জলের দরে আম, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ জলের দরে বিকোচ্ছে লক্ষনভোগ, ল্যাড়া, হিমসাগর সহ নানা প্রজাতির আম। এতে একদিকে যেমন বেজায় খুশি ক্রেতারা, কিন্তু মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। প্রচণ্ড গরমে যতটা ফলন হওয়ার কথা ছিল, তার তুলনায় অনেকটাই বেশি ফলন হয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ব্লকে। ফলন বেশি হওয়ায় চাহিদার তুলনায় জোগান অনেক বেশি, তাই পড়ে গেছে বাজারদর। ফলে লাভ তো দূরের কথা, খরচই ওঠানো দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের কাছে।

রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইটাহার, হেমতাবাদ, প্রায় সব ব্লক থেকেই প্রতিদিন আসছে কয়েক হাজার কেজি আম। কিন্তু বাজারে দাম মাত্র ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি। গ্রামের হাট গুলোর কোথাও কোথাও তো খুচরো বাজারে দাম এসে ঠেকেছে ৭ টাকায়!

আমচাষি তথা পাইকারি ব্যবসায়ী ফারুক আহমেদ জানালেন, “এক বস্তা আম তুলতে ১৫০ টাকা খরচ পড়ে। আর সেই বস্তা থেকেই আয় হচ্ছে মাত্র ১০০ টাকা। আম বিক্রি করে লোকসানে পড়েছি।” ফলের মানও বেশ ভালো, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সংরক্ষণের। জেলার কোথাও পর্যাপ্ত হিমঘর নেই। ফলে সময়মতো বিক্রি না করতে পারলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অনেক ফল।

এদিকে কৃষি বিপণন দপ্তরের উদ্যেশ্যে রায়গঞ্জ মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী বলেন, আম চাষ ও বাজারজাতকরণে পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন। না হলে প্রতিবছরই এই একই সমস্যার মুখোমুখি হবেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। আমরা হিমঘর তৈরির দাবি করছি। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে আমের স্বাদে মজেছে সাধারণ মানুষ, কিন্তু আর্থিক ক্ষতির বোঝা নিয়ে দিশেহারা ব্যবসায়ী ও চাষিরা।

Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja