Explore

Search

June 23, 2026 6:41 am

IAS Coaching

কয়েকশো মহিলাকে ঋনের জালে  জরিয়ে কয়েক কোটি টাকা প্রতারণা চক্র ডুয়ার্সে

#মালবাজার: ডুয়ার্সের চা বাগানের কয়েকশো মহিলাকে ঋণের জালে জড়িয়ে কয়েক কোটি টাকার প্রতারণার চক্র সামনের এলো। সোমবার এই ঘটনা নিয়ে মালবাজার শহরে একাধিক মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানির দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাল বিভিন্ন চা বাগানের কয়েকশ মহিলা। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন নাগরাকাটার প্রাক্তন বিধায়ক জোসেফ মুন্ডা। মহিলারা জানান, জয় লক্ষ্মী এগ্রো ফার্ম নামের একটি কোম্পানির দুই কর্মী জয় চিকবরাইক এবং প্রেম ছেত্রী  তাদের ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে গোষ্ঠী তৈরি করে এবং পরবর্তীকালে বিভিন্ন মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানি থেকে গোষ্ঠীর নামে ঋন সংগ্রহ করে নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছে।
ফাইনান্স কোম্পানিগুলো এখন তাদের নিয়মিত তাগাদা দিচ্ছে ঋণ পরিশোধের জন্য। কিভাবে আমরা ঋণ পরিশোধ করবো?  বলে জানান প্রায় সব আছে মহিলা। প্রাক্তন বিধায়ক জোশেফ মুন্ডা বলেন, জয় লক্ষ্মী এগ্রো ফার্ম নামের কোম্পানির সঙ্গে এইসব মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর যোগাযোগ রয়েছে। তারা মিলে চা বাগানের কয়েকশ মহিলাকে ঋণের জালে জড়িয়ে কোটি টাকারও বেশি আত্মসাৎ করেছেন। গতকালই আমরা জয় লক্ষ্মী এগ্রো ফার্ময়ের দুইজন জয় চিকবাড়াইক এবং প্রেম ক্ষেত্রের বিরুদ্ধে মেটেলি থানায় অভিযোগ করেছি। আজ মাইক্রো ফাইনান্স কোম্পানি গুলির কাছে বিষয়টি জানাতে এসেছিলাম।
এ নিয়ে জানতে চাওয়া হলে একটি মাইক্রো ফাইনান্স কোম্পানির ম্যানেজার জানান, বহু মহিলা আমাদের এখানে আবেদন করেন এবং ঋণ সংগ্রহ করেন। ঋন গ্রীহিতার আবেদন পত্র ও নথিপত্র যাচাই করে ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ দেওয়ার সময় বলে দেওয়া হয় ঋণের অর্থ অন্য কাউকে যেন না দেওয়া হয়। যে কাজের জন্য ঋণ নেওয়া হচ্ছে সেই কাজেই ব্যবহার করতে।
দেখা যাচ্ছে মহিলারা ঋণ নিয়ে অন্য একটি সংস্থার কাছে জমা করেছেন। সেই সংস্থা ঋণ পরিষদ না করায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেটেলি ব্লকের নাগেশ্বরী চা বাগানের জয় চিকবরাইক এবং নাওড়ানদী চা বাগানের প্রেম ছেত্রী মিলে জয়লক্ষী এগ্রো ফার্ম নামে একটি কোম্পানি খুলে ইন্ডং, চুলসা, আইভিল সহ বেশ কয়টি চা বাগানে গিয়ে মহিলাদের ঋণের প্রলোভন দেখায় এবং চারজনের একটি গোষ্ঠী তৈরি করতে বলে।
এরপর মহিলাদের নথিপত্র সংগ্রহ করে তাদের নামে বিভিন্ন ফাইন্যান্স কোম্পানি থেকে ঋণ সংগ্রহ করে। এরপর প্রেম ও জয়ের কোম্পানি কিংবা মহিলারা কেউই ঋণ পরিশোধ করেনি।জয় ও প্রেমের কোম্পানি এখন কার্যত উধাও।  এখন ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলো তাগাদা দিচ্ছে মহিলাদের। এটাই সমস্যায় পড়ে তারা নেতাদের দ্বারস্থ হয়েছেন। দেখা গেছে কয়েক কোটি টাকা এইভাবে ঋণ সংগ্রহ করা হয়েছে। ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছেন চা বাগানের দরিদ্র আদিবাসী মহিলারা।
Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja