Explore

Search

November 3, 2026 8:30 pm

IAS Coaching

হস্তিশাবকের মৃত্যুতে প্রশ্ন পরিবেশ কর্মীদের

#মালবাজার: হাতির চলাচল করার কোরিরোডে বড় ও গভীর নালা কেন? কেনই বা থাকবে বৈদ্যুতিক বেরা? খবর থাকা সত্বেও বনদপ্তর যথা সময়ে সক্রিয় হয়নি কেন? গত মঙ্গলবার গভীর রাতে মাল ব্লকের কুমলাই গ্রাম পঞ্চায়েতের নেপুছাপুর চা বাগানের ৩৬ নম্বর সেকসনে গভীর নালায় পড়ে হস্তিশাবকের মৃত্যুর পর এই প্রশ্নগুলো তুলে ধরেছেন ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকা পরিবেশ প্রেমিরা।
জানাগেছে, প্রায় ৫০-৬০টি হাতির একটি দল গত কয়েক দিন ধরেই ব্লকের কুমলাই, নেওরা, নেপুছাপুর, বেতগুড়ি, ক্রান্তি ব্লকের রাজাডাঙ্গা, কাঠামবাড়ি এলাকায় খাবারের খোঁজে এদিক ওদিক  ঘোরাঘুরি করছে। দিনের আলোয় গরু মারা বনাঞ্চল কিম্বা আপালচাঁদ বনাঞ্চলে আশ্রয় নিলেও রাত হতেই হানা দিচ্ছে ফসলের ক্ষেতে ও চা বাগানের শ্রমিক মহল্লায়। গরুমারা ও আপালচাদ বনাঞ্চলের  মাঝে এই এলাকাগুলো হাতির করিডোর বলেই পরিচিত।
এহেন এক কোরিডোরে হস্তিশাবকের মৃত্যুর পর রীতিমতো সরব পরিবেশ প্রেমীরা। চালসা এলাকার পরিবেশপ্রেমী তানিয়া হক বলেন, খবর নিয়ে জেনেছি যে এলাকায় হস্তি শাবকের মৃত্যু হয়েছে সেই এলাকাটি হাতির কোরিডোর। স্বাভাবিক নিয়মে হাতিরা চলাচল করবে। ওই এলাকায় গভীর নালা কাটা ছিল এবং পাশাপাশি ইলেকট্রিক ফেনসিং ছিল। এগুলো থাকবে কেন?
হাতির করিডোর উন্মুক্ত রাখতে হবে। গভীর নালা থাকার জন্যে হাতির বাচ্চা নালায় পড়ে যায় এবং মাটি চাপা পড়ে মারা যায়। এটা মর্মান্তিক ঘটনা। পাশাপাশি বন কর্মীরা যদি সময়মতো পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে পারতো তাহলে হয়তো রক্ষা করা সম্ভব হতো। এজন্যই আমাদের দাবি বনদপ্তরের উচিত সামগ্রিক ঘটনা তদন্ত করে দেখা।
পরিবেশ প্রেমী মানবেন্দ্র দে সরকার বলেন, হাতির দল স্বাভাবিক নিয়মে তাদের পথ ধরে চলাচল করবে। মানুষের উচিত নয় তাদের বিব্রত করা। সেদিন মানুষের তাড়া খেয়ে বনাঞ্চলের দিকে যেতে গিয়ে নালায় পড়ে হাতির বাচ্চাটি মারা গেছে। এটা অনভিপ্রেত ঘটনা। এর আগেও বিভিন্ন সময় দেখা গেছে চা বাগান গুলি এজাতীয় নালায় পড়ে হাতির বাচ্চার মৃত্যু ঘটেছে। বনদপ্তরের  উচিত সচেতনতা শিবির করা।
আরও জানাগেছে, ডুয়ার্সের চা বাগান গুলোতে চা গাছের গোড়ায় যাতে জল না দাড়ায় তার জন্য নালা খোড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। কোথাও এই নালাগুলি যথেষ্ট গভীর করে খোড়া হয়। ফলে মাঝেমধ্যে এইরকম ঘটনার খবর আসে।
Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja