#মালবাজার: উত্তরবঙ্গে বর্তমান সময়ে পর্যটকদের কাছে অন্যতম গন্তব্য বাগরাকোটের লুপপুল ও ৭১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক। প্রতিবেশী রাজ্য সিকিমে যাওয়ার জন্য বিকল্প সরক হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৯ সালে মাল ব্লকের বাগরাকোট থেকে চুইখিম, বরবট, কাফের হয়ে সিকিম পর্যন্ত জাতীয় সরক নির্মাণ কাজ শুরু করে। পাহাড় কেটে, জঙ্গল সরিয়ে রাস্তা নির্মাণ চলছে।জাতীয় নিরপত্তার ক্ষেত্রে এই জাতীয় সরক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইতিমধ্যে বাগরাকোট থেকে চুইখিম পর্যন্ত রাস্তা গত ডিসেম্বর মাসে জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এই পথের মাঝে রয়েছে ইংরেজির “৪” আকারের অত্যন্ত আকর্ষণীয় লুপপুল। নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা পরিবেশে লুপপুল এক আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি। এই কারনে পর্যটকদের গন্তব্য হয়ে উঠেছে। লুপপুলে দাঁড়িয়ে সেলাফি তোলা এখন রেওয়াজ হয়ে উঠেছে।

এহেন রাস্তায় চলতি প্রাক বর্ষার বৃষ্টিতে এদিক ওদিক মাটি ধসে ফাটল দেখা গেছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। এতেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছি।
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যে এলাকার উপর দিয়ে এই রাস্তা বয়ে গেছে সেই দার্জিলিংয়ে সাংসদ রাজু বিস্ত শনিবার লুপপুল এলাকায় আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় সরক দপ্তরের আধিকারিকরা এবং নির্মাণকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।

নির্মায়মান রাস্তার কাজ পরিদর্শন করে সাংসদ উষ্মা প্রকাশ করেন। তিনি পরিস্কার বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের কাছে সবরকম সুবিধা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে
জানতে পেরে আজ আমি রাস্তার কাজ দেখতে এসেছি। দেখলাম লুপপুলের ক্ষতি নজরে আসেনি। কিন্তু, লুপপুল যেখানে শেষ হয়েছে সেখানে মাটি ধসে ফাটল দেখা গেছে।

এদিক ওদিক ফাটল দেখা গেছে। এটা কাম্য নয়, আমি এই বিষয়ে জাতীয় সরক দপ্তরের আধিকারিক দের বলেছি। আমি বিশেষজ্ঞ নই, গুনগত মান ঠিক আছে কি না? সেনিয়ে অন্যকোন তৃতীয় সংস্থা দিয়ে অডিট করা করা উচিত। ট্যাকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করা দরকার। যেসব জায়গায় ক্ষতি হয়েছে তা দ্রুত মেরামত করা দরকার।






