#মালবাজার: শনিবার ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় উদ্দীপনা সহকারে শীতলা পূজা অনুষ্ঠিত হলো। গ্রাম বাংলার অত্যন্ত এক প্রচলিত পূজা গুলির মধ্যে অন্যতম শীতলা পূজা। সাধারণত চৈত্র বৈশাখ মাসে গ্রামবাংলায় গুটি বসন্ত ও চর্ম রোগের পাদূর্ভাব দেখা যেত। এই রোগের নিরাময়কল্পে দেবী দুর্গার অংশ হিসাবে শীতলা পূজার প্রচলন হয়।

দেবীর হাতে থাকে ঝাঁটা, পাখা ও পূর্ন কলস সাথে থাকে কুলা। কথিত আছে মা শীতলা ঝাঁটা দিয়ে ঝরা আবর্জনা পরিস্কার করে কলসের জলে বারিধারা দিয়ে পাখার বাতাসে মানুষের শরীর শীতল করে বলে তার নাম মা শীতলা।
এভাবেই গ্রাম বাংলায় প্রচলিত এই পুজা। বর্তমানে শহর এলাকায় স্থায়ী শীতলা মন্দির রয়েছে।

এদিন মালবাজার শহরে একাধিক স্থানে শীতলা পুজা অনুষ্ঠিত হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তারক চ্যাটার্জির বাড়ির পুজা।
তার বাবা প্রয়াত কালী চ্যাটার্জি দীর্ঘদিন আগে পুজার প্রচলন করেন। বহু মানুষ এদিন পুজা দেন। বহু বাড়িতে এদিন পুজা হয়। ডুয়ার্সের অন্যতম প্রাচীন জনপদ ডামডিম। সেখানে বটেশ্বর শিব মন্দিরে মহা সমারোহে শীতলা পুজা হয়।

জানাগেছে, স্থানীয় বাসিন্দা স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে দীর্ঘদিন আগে এখানে শীতলা পুজা প্রচলন করেন। বর্তমানে তার স্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে কাজ কর্মে অসমর্থ আসে পাশের মহিলারা উদ্যোগ নিয়ে পুজা করেছেন। প্রথা অনুযায়ী পাড়ার মহিলারা মাথায় কুলো নিয়ে বাড়ি বাড়ি থেকে সিধা সংগ্রহ করেন। তারপর বটেশ্বর মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। একই ভাবে ওদলাবাড়ি, চালসা এলাকায় শীতলা পুজা অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়।







