#মালবাজার: ডুয়ার্সে এসে পঞ্চম ও ষষ্ঠ তপশিলি নিয়ে সরব হলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। সোমবার তিনি মালবাজার শহরে এসে একটি বেসরকারি লজে ওঠেন। সেখানে তারর সঙ্গে দেখা করেন ডুয়ার্সের আদিবাসী নেতা রাজেশ লাকড়া, চন্দন লোহারা সহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ডুয়ার্সের চা বাগান এলাকার শ্রমিক দের জীবনযাত্রা, বর্তমান সরকারের নীতি সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে বেরিয়েছে সিদ্দিকী সাহেব সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, আজ আমার কাছে ডুয়ার্সে বিশিষ্ট কয়েকজন নেতা এসেছিলেন।

তাদের সঙ্গে চা বাগানের ন্যূনতম মজুরি, শ্রমিকদের জীবনযাত্রা, জমির অধিকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলছি, রাজ্য সরকার চা শ্রমিকদের পাঁচ শতক করে জমির পাট্টা দিয়েছেন। এরপর আবার ঘোষণা করেছে ৩০ শতাংশ জমি টি ট্যুরিজমকে দেওয়া হবে। বাগানে শ্রমিকরা অনেক পুরুষ ধরে বাস করে আসছেন। সেই জমিতে তার অধিকার আছে। এভাবে পাট্টা দেওয়া শ্রমিককে অবহেলা করা।

৩০ শতাংশ জমি দিয়ে দিলে শ্রমিকরা কর্মহীন হবে। এরপর হয়তো দেখা যাবে আস্তে আস্তে পুরো চা বাগানের জমি দিয়ে দেওয়া হবে। তখন চা বাগান কোথায় থাকবে? যে চা বাগান শ্রমিকদের রুটি রুজির জায়গা সেটা না থাকলে শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ কি হবে? আমরা এর প্রতিবাদ করছি এবং ভবিষ্যতে বিধানসভায় তুলব।

এছাড়াও এদিন তিনি পঞ্চম ও ষষ্ঠ তপশিলি নিয়ে সরব হন। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার বলছে তারা শ্রমিক দরদী। ডুয়ার্সের এই এলাকায় তারা পঞ্চম ও ষষ্ঠ তপশিলি প্রয়োগ করছেন না। আমি এর আগেও এ নিয়ে বিধানসভায় বিষয়টি তুলেছি। রাজ্যপালের জবাবী ভাষণেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। চা শ্রমিকদের জমির অধিকার যদি দিতে হয় তবে এই এলাকা পঞ্চম ও ষষ্ঠ তপশিলির আওতায় আনতে হবে।







