
#মালবাজার: বছরের প্রথম বৃষ্টিতে মাল শহরের নিকাশি ব্যবস্থা যেমন বেহাল দশায় দেখা গেল, ঠিক একই ভাবে আবর্জনায় ঢেকে গেল মাল শহরের দক্ষিণে পূর্ব তেশিমলার একটি এলাকা। শনিবার রাতের পর চাষের জমি পরিণত হয়েছে আস্ত ডাম্পিং গ্রাউন্ডে। এই ডাম্পিং গ্রাউন্ডের কারণ পাগলা ঝোড়া। পাগলাঝোড়া মালবাজার শহরে মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে তেশিমলায় গিয়ে মিশেছে।সারা বছর মালবাজার শহরের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বাড়ির আবর্জনা পাগলা ঝোড়াতে জমা করে। বৃষ্টির জলে পাগলা ঝোড়া জলে পুষ্ঠ হলে সেই জলপ্রবাহ আবর্জনা বয়ে নিয়ে গিয়ে পূর্ব তেশিমলা এলাকার কৃষি জমিতে জমা হয়। গত কয়েক বছর ধরে এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এটাই ক্ষুব্ধ ওই এলাকার বাসিন্দারা। শনিবার রাতে বৃষ্টিতে একই ঘটনা ঘটায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ ওই এলাকার মানুষ।

যে জমিতে আবর্জনা জমে আছে সেই জমি পার হয়ে যাতায়াত করে মোট পাঁচটি পরিবার। সেই পরিবারের মধ্যে আছে শরিফুল হক নামের এক পঞ্চায়েত কর্মীর বাড়ি। এছাড়াও মহম্মদ আলিফ, নবাব হোসেন সহ অন্যান্যরা। তাদের অভিযোগ বিগত চার বছর ধরে বর্ষার সময় এমন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে, মালবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকার আবর্জনা এসে ঢিপ হচ্ছে বাড়ির সামনে। বারবার এই বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে জানালেও সুরাহা হয়নি। আমরা মাল পুরসভায় বিষয়টি জানাবো। তারপর পদক্ষেপ গ্রহণ না হলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মাল পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সুশীল রায় বলেন, গ্রামবাসীদের সমস্যা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই পঞ্চায়েতের, সুপরিকল্পিতভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে শীঘ্রই। এ বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি বলেন, আমরা মাল শহরের জনগণের কাছে অনুরোধ করবো আবর্জনা নর্দমায় না ফেলতে, আবর্জনার কারণে অন্য এলাকায় অসুবিধা হোক সেটা ঠিক নয়, সকলকে সচেতন হতে হবে।

মাল পৌরসভার চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি এ বিষয়ে জানান, প্রতিদিন পৌরসভার আবর্জনা বাহী ই রিক্সা গুলো বাড়ি বাড়ি যায় বাসিন্দারা সেই রিস্কাতে আবর্জনা জমা করে। পরে সেগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় ডাম্পিং করা হয়। এরপরেও কিছু মানুষ পাগলা ঝোড়ায় আবর্জনা ফেলে। আমরা পৌরসভার পক্ষ থেকে মানুষকে সচেতন করব পাশাপাশি ওই সব এলাকায় কিছু ভ্যাট বসাবো যাতে মানুষ ভ্যাটে আবর্জনা ফেলে। পাগলা ঝোড়াকে পরিষ্কার রাখলে এই সমস্যা হবে না।







