#মালবাজার: ডুয়ার্সের অন্যতম প্রাচীন হাট “মালবাজার হাট”। এই হাটে খাজনা তোলা নিয়ে জেলা পরিষদ এবং মাল পৌরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর তথা হার্ট কমিটির সেক্রেটারির বিরোধ সামনে এলো। যদিও সমস্যা সমাধানের ইঙ্গিত দিয়েছেন মাল পৌরসভার চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ী। প্রতি রবিবার মালবাজার শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতি রবিবার হাট বসে। কোন এক সময় এই হাট পরিচালনার দায়িত্ব ছিল ওয়েস্টার্ন ডুয়ার্স মার্কেট ফান্ড নামের একটি সংস্থার হাতে। ১৯৭৮ সালে পঞ্চায়েত রাজ চালু হওয়ার পর এই দায়িত্ব বর্তায় জেলা পরিষদের হাতে।

তারপর থেকে জেলা পরিষদ হাটের খাজনা তোলা থেকে রক্ষণাবেক্ষণ করতো। গত বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই এই দায়িত্ব পৌরসভা হাতে আসে । পৌরসভাই হাটের সাফাই থেকে খাজনা আদায় সবই করতো। সম্প্রতি জেলা পরিষদ এক টেন্ডারের মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে হাটের ইজারা দেয়। ইজার পেয়ে আনোয়ার হোসেন নামের সেই ব্যক্তি রবিবার থেকে খাজনা আদায় শুরু করেন।

এতেই ক্ষুব্ধ ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা হাট কমিটির সম্পাদক সরিতা গিরি। রবিবার তিনি তার বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, ” আমি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং হাট কমিটির সম্পাদক। হার্ট যে একজন ব্যক্তিকে ইজারা দেওয়া হচ্ছে সেই বিষয়ে আমাকে জেলা পরিষদ বা পৌরসভা কেউ কিছুই জানায়নি। আগে স্থানীয় তিন যুবক হাটের খাজনা সংগ্রহ করত। এই ঘটনায় তারা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ইজারাদার হাটের খাজনা ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে কুড়ি টাকা করেছে। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সমস্যা হচ্ছে। আমি সমস্ত ঘটনা জানিয়ে বিভিন্ন মহলে চিঠি দেব।

এ নিয়ে মাল পৌরসভার চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ী জানান, জেল পরিষদ নির্দিষ্ট টেন্ডারের মাধ্যমে এক ব্যক্তিকে হাটের ইজারা দিয়েছে।
সেই ব্যক্তি মালবাজার শহরেরই বাসিন্দা। তিনি নির্দেশমতো খাজনা আদায় শুরু করেছেন। তবে যেহেতু হাট পরিষ্কার রাখা, পানীয় জল ও আলোর ব্যবস্থা পৌরসভা করে। সেজন্য পৌরসভার খরচ হয়। এজন্যে আগামী মঙ্গলবার মিটিং ডাকব।সেখানে ওই ইজারাদারকেও ডাকা হবে এবং তার সামনেই এই ব্যয়ভার বহনের প্রস্তাব দেওয়া হবে। যদি তিনি ব্যবহার বহন করেন তাহলে পৌরসভা অসুবিধা থাকার কথা নয়।







