
#মালবাজার: গত শনিবার বৈকুণ্ঠপূর ডিভিশনের আপাল চাঁদ রেঞ্জের অধীন ডুয়ার্সের চেল নদীর পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে বেড়িয়ে আসা একটি জঙ্গলী হাতিকে এলাকা ছাড়া করতে রবিবার ঘটনাস্থলে থাকা একটি জে সি বি দিয়ে আঘাত করা হয়। এই দৃশ্য পরে ভাইরাল হয়। এরপরেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে ডুয়ার্স সহ রাজ্যে জুড়ে। বুধবার এই ঘটনা থেকে উঠে আসা কিছু প্রশ্নের উত্তর পেতে ডুয়ার্সের পরিবেশপ্রেমী কর্মীদের সম্মিলিত এক প্রতিনিধি দল জলপাইগুড়িতে অবস্থিত বন দফতরের বন্য প্রাণ বিভাগের বনাধিকারীকের দ্বারস্থ হয় স্মারক লিপি জমা দেন।

এই প্রসঙ্গে প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্যা, তানিয়া হক বলেন, আমরা সেই দিন যে দৃশ্য দেখেছি তার থেকে অনেক গুলো প্রশ্ন উঠে আসে, যেমন ওই এলাকায় হাতির অবস্থান নতুন কিছু নয়, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে হাতিটিকে স্থানিয় মানুষ উত্যক্ত করে গেলেও বন বিভাগের কর্মীরা সেখানে উপস্থিতি হন নি?,এবং তাদের নিষেধ করতে ব্যবস্থা নেয় নি। দ্বিতীয়ত এমন পরিস্থিতিতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

আর এক পরিবেশ প্রেমী স্বরুপ মিত্র বলেন, যে ভাবে হাতিটিকে জে সি বি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে তাতে আমরা নিশ্চিত যে খুবই মারাত্বক ভাবে জখম হয়েছে এই বন্য প্রাণ। আমাদের দাবি দ্রুত কুনকি হাতি দিয়ে আঘাত প্রাপ্ত হাতিটিকে খুঁজে বার করতে হবে এবং চিকিৎসার ব্যাবস্থা করতে হবে। এদিন বিভাগীয় বন দফতরের স্বারক লিপি প্রদান কর্মসূচিতে অন্যান্য দের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশকর্মী সুমন চৌধুরী, সাহের আলি প্রমুখ।

যদিও ঘটনাটি ঘটেছে বন দফতরেরবৈকুণ্ঠ পূর ডিভিশনের আওতায়, মধ্যে পরে,বলে ঘটনা প্রসঙ্গে গরু মারা বন্য প্রাণী বিভাগের ডি এফ ও দিজপ্রতিম সেন বলেন, সেই দিন সাধারণ মানুষের ভিড় এতটাই বেশি ছিলো, যার তুলনায় আমাদের কর্মী সংখ্যা অনেকটাই কম ছিলো, যে কারনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, এবং জে সি বি দিয়ে হাতিটিকে জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টা শুরু করে স্থানীয়রা, তবে ঘটনা ঘটার পর জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং জে সি বি চালককে গ্রেফতার করে।







