
#মালবাজার: সোমবার বিকেলে মালবাজার ভূমি এবং ভূমিরাজস্ব দপ্তরের প্রাঙ্গণে জমি নিয়ে,দুপক্ষের হাতাহাতিতে উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়। ভূমি এবং ভূমি সংস্কার দপ্তর সূত্রের খবর, “তারা দুপক্ষকেই হেয়ারিং এর জন্য ডেকেছেন সেখানেই কাগজপত্র নথি যাচাই করে সঠিক মানুষকে হাতেই জমি তুলে দেওয়া হবে”।
বিগত সময়ে নানান অভিযোগ কানাঘুষা শোনা যায় বি এল আর ও অফিসের নামে। সেখানে না কি! দালালচক্র মারাত্মক সক্রিয়। এজন্য মাঝেমধ্যেই হাতাহাতি অস্থির পরিস্থিতির দিকে পৌঁছায় অফিস চত্বর।

এর আগেও দুপক্ষের হাতাহাতি হয়েছে। সোমবার দালাল ও জমির মধ্যে হাতাহাতি হয়। ক্রান্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর সারীপাকুড়ির আমিনুল ইসলাম অভিযোগ আনেন,তাদের নামে রেজিস্টার্ড ৮৩ শতক জমি মোস্তাকা আলম ও মলিন রায় নামক দুই দালাল,সরকারি খতিয়ান থেকে কেটে,ভুয়া দলিলের উপনির্ভর করে অন্য কে বিক্রি করে দিয়েছে। অন্য পক্ষে মোস্তাকা আলম বলেন, “জানতাম না,এরাই জমির মালিক। আমরা আবুল কালাম আজাদের দলিলের উপর ভিত্তি করেই জমি বিক্রি করিয়ে দেই। এরা মালিক জানলে একাজ করতাম না।

অভিযোগকারী আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমি খবর পেয়েই অবাক হয়ে পড়ি। আমার দের রেজিস্ট্রি করা জমি কিভাবে অন্যের নামে হয়ে গেল। কিভাবে খতিয়ান থেকে আমাদের নাম বাদ পরল। আমি আতঙ্কিত হয়ে উঠি,আমাদের মতো ছোট সামান্য মানুষদের উপর যদি এই হয়ে থাকে।তা কত মানুষেরই মাথার ছাদ অচিরেই হারিয়ে যেতে পারে। আমি বি এল আর ও কে অনুরোধ করেছি, অবিলম্বে আমার জমি আমাকে ফিরিয়ে দেয়া হোক এবং এগুলোর সাথে যারা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক”। এনিয়ে ভূমিরাজস্ব আধিকারিক জানান, আমরা উভয় পক্ষকে শুনানিতে ডেকেছি। সমস্ত নথিপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








