#মালবাজারও ক্রান্তি: টানা চার মাস ধরে নানান জল্পনা কল্পনার পর অবশেষে জট কাটলো মাল পৌরসভার।ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ীর প্রতি আস্থা রাখলেন দল। হাল ছাড়লেন বিদায়ী চেয়ারম্যান স্বপন সাহা। উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাসে দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর মাল পৌরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহাকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়। ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুরিকে পৌরসভা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর অসুস্থতার জন্য ছুটি নেন স্বপন বাবু কিন্তু, চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেননি। শারদ উৎসবের পর খানিকটা সুস্থ হয়ে ফিরে এসে স্বপন বাবু পৌরসভায় যাতায়াত শুরু করেন এবং পৌরসভার বিভিন্ন কাজে হস্তক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ। এর মাঝে আফগান নাগরিকদের জন্ম মৃত্যুর শংসা পত্র দেওয়ার বিষয় প্রকাশ্যে আসে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বিষয়টি নিয়ে জানতে চায়। এই নিয়ে শহরজুড়ে নানান বিষয় চর্চা শুরু হয়।

গত ডিসেম্বর মাসে অস্থায়ী কর্মচারী ও শ্রমিকরা তাদের মজুরির দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ করে।
যদিও তারপরে মিটে যায়।কিন্তু, পৌরসভার চেয়ারম্যান কে হবেন এবং কে থাকবেন এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এভাবেই চলতে চলতে
গত সপ্তাহে ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল বাবু তার পথ থেকে অব্যাহতি চেয়ে দলের নেতৃত্বের কাছে চিঠি দেন। যদিও জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ গত সপ্তাহে জানিয়েছিলেন দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে।

সেইমতো বৃহস্পতিবার লাটাগুড়ি দলীয় কার্যালয়ে মাল পৌরসভা ১৩ জন তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক চলে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ, মন্ত্রী বুলু চিকবরাইক, রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায় সহ অন্যান্যরা। সেই বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত হয় উৎপল ভাদুরীকেই চেয়ারম্যান করা হবে এবং দলনেতা হিসাবে শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নারায়ন দাস। সেই কথা সাংবাদিকদের সামনে জানিয়ে দেন জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ। অন্যদিকে জানা গেছে বিদায়ী চেয়ারম্যান স্বপন সাহা তার পদত্যাগ পত্র দলীয় নেতৃত্ব ও প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।







