#মালবাজার: স্কুলের পড়ুয়া সংখ্যা ২১০জন কিন্তু, শ্রেণিকক্ষ রয়েছে মাত্র দুটি। বাধ্য হয়ে মাঠেই ত্রিপল টাঙিয়ে চলে পঠন পাঠন। একদিকে যখন বিভিন্ন সরকারি স্কুলে স্কুলছুটের সংখ্যা বাড়ছে সেই স্কুলছুটের সময়কালে এই দৃশ্য দেখা যায় মাল ব্লকের বড়দিঘী স্পেশাল ক্যাডার প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্কুলে অতিরিক্ত আরো শ্রেণিকক্ষের দাবি নিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর হাতে স্মারক লিপি দিলেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক দিলীপ কুমার রায়।

গত মঙ্গলবার বিকেলে মন্ত্রী শ্রী গুহ বড়দিঘী হাই স্কুলে এসেছিলেন একটি আদিবাসী আবাসিক ছাত্রাবাসের দ্বার উন্মোচন করতে এসেছিলেন।
সেখানেই তার হাতে স্মারকলিপি দেন ওই প্রধান শিক্ষক। বড়দীঘি হাই স্কুল চত্বরে রয়েছে স্পেশাল ক্যাডার প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ছয়টি শ্রেনী রয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষিকা আছেন আটজন অশিক্ষক কর্মী দুইজন রয়েছেন।

জানাগেছে, বেশ কয়েক বছর আগে ঝড়ে স্কুলের টিনের চালা উড়ে যায়। দুটি কক্ষ কোনক্রমে বাঁচে। বর্তমানে সেই কক্ষগুলির জানালা দরজা ভগ্নদশা। এমতাবস্থায় স্কুল চালানো সমস্যা হয়।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক দিলীপ কুমার রায় জানান, মাত্র দুটি কক্ষ রয়েছে বাধ্য হয়ে ত্রিপল টানিয়ে মাঠেই ক্লাস করতে হয়। বর্ষার সময় খুবই সমস্যা হয়। আজ মন্ত্রী তাই তার হাতে আরো চারটি শ্রেণিকক্ষের জন্য স্মারকলিপি দিয়েছি।
জানাগেছে, মন্ত্রী শ্রী গুহ প্রধান শিক্ষককে আশ্বস্ত করেছেন।








