#মালবাজার: রাস্তার পাশে ওষুধের দোকান। সেই ওষুধের দোকানের মাটির নিচে তৈরি হয়েছিল গোপন চেম্বার। সেখানেই রাখা হতো নিষিদ্ধ নেশার ওষুধ। তারপর পাচার হতো ডুয়ার্সের বিভিন্ন প্রান্তরে। এভাবেই চলছিল রমরমা কারবার। খবর পেয়ে রীতিমতো অভিযান চালিয়ে প্রচুর টাকার নিষিদ্ধ নেশার ওষুধ বাজায়াপ্ত করলো মাল থানার পুলিশ।
সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে ডুয়ার্সের ওদলাবাড়ি চৌরাস্তার মোড়ে ভরা বাজারে। পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, রাস্তার পাশেই ছিল নামি ওষুধের দোকান। দোকানের পিছনে মালিকের বাড়ি। সেই বাড়ির নিচে গোপন চেম্বারে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এন-১০, প্লাজমা প্যাক্সিভাম, কাফ সিরাপ সহ নিষিদ্ধ নেশার ওষুধ।

ডুয়ার্সের বিভিন্ন প্রান্ত জুড়ে রম রমিয়ে চলছে নিষিদ্ধ নেশার ওষুধের কারবার। এতেই উদ্বিগ্ন ছিল সাধারণ মানুষ থেকে প্রশাসনের কর্তারা।
গত ২৮ শে নভেম্বর ডামডিম নিচু বাজারের এক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাল থানার পুলিশ বহু টাকার নিষিদ্ধ ওষুধ বাজায়াপ্ত করেছিল। গ্রেপ্তার হয়েছিল একজন। সেই সূত্র থেকে পুলিশ জানতে পারে ওদলাবাড়ির এক ওষুধের দোকানী এই কারবারে মুল হোতা। একপ্রকার ডিস্ট্রিবিউটার বলা চলে। সোমবার মাল থানার পুলিশ বাহিনী আইসি সৌম্যজিৎ মল্লিকের নেতৃত্বে অভিযান চালায়। দিনমান অভিযান চলে।

আইসি শ্রী মল্লিক জানান, প্রায় ১৫০০০ পিস, এন -১০, ২৫ হাজারের বেশি প্লাজামা প্যাক্সিভাম
৪০০ মতো কাফ সিরাপ সহ অন্যান্য ওষুধ।
তিনি আরও বলেন, এর আগে ডামডিমে রেট করে এরকম বাজায়াপ্ত করেছিলাম। গ্রেপ্তার হয়েছিল ১ জন। সেই সুত্র থেকে ওদলাবাড়ির ওই ওষুধের দোকান মুল কারবারি। আজ অভিযান হয়। একজন গ্রেপ্তার হয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, গ্রেপ্তার হওয়া দোকানীর নাম সঞ্জীব সরকার।








