#মালবাজার: ট্যাব কান্ডের জেরে আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর আগে বাড়তি সতর্ক রাজ্য প্রশাসন।সমীক্ষার পর আবাস যোজনায় উপভোক্তাদের তালিকায় নাম আছে,অথচ উপভোক্তাদের অনেকেরই আধারের সাথে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করা নেই, এমন উপভোক্তাদের ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে। ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এমন উপভোক্তাদের সংখ্যা ২৯৮ জন।

সকাল থেকে এই উপভোক্তাদের ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত পরিসরে বিশেষ শিবির আয়োজন করে নথিপত্র যাচাই এবং বায়োমেট্রিক পদ্ধতি অবলম্বন করার জন্য ডেকে পাঠানো হলেও সার্ভারের গোলমালে চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হতে হলো উপভোক্তাদের অনেককেই।দুপুর ১২ টা থেকে সার্ভার বসে যাওয়ার কারনে দূর দূরান্ত থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরে এসেও কাজ হচ্ছে না দেখে তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করেন গজলডোবার মনখুশি মন্ডল,ঘিস কলোনির হামিদা খাতুন থেকে শুরু করে ৮৫ বছরের প্রবীন কুলিন রায় প্রমুখ।

এ প্রসঙ্গে ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মৌমিতা ঘোষ বলেন,’এদিনের পুরো ঘটনাবলীর রিপোর্ট ব্লক অফিসে জানিয়েছি।সার্ভারের গোলমালের কারনে দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে অপেক্ষারত একজন উপভোক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাও এদিন ঘটেছে।এই সংবাদ পাঠানোর সময় বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সার্ভারে গোলমাল চলছেই। প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, সার্ভারের গন্ডগোলের জেরে কয়েকটি জায়গায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেই কারনে এই অসুবিধা।








