
#মালবাজার: বৃহস্পতিবার ছিল দেশের অন্যতম প্রাচীন ধর্মীয় উৎসব ছট পুজার অর্ঘ্যদান মহাপর্ব। এই উপলক্ষে ডুয়ার্সের মাল মহকুমা এলাকার মাল, চেল, ঘিস, কুর্তি, সুখানী ডায়না সহ বিভিন্ন নদীর ঘাটগুলি সেজে উঠেছিল। মাল, মেটেলি ও নাগরাকাটা ব্লকে মোট ৩৮ ঘাট রয়েছে যেখানে ছট পুজ অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন মালবাজার শহরের ২নম্বর ওয়ার্ড সংলগ্ন মাল নদীর ঘাটে অন্যতম বড় আয়োজন ছিল। সম্পুর্ন ঘাটে আলো ও অন্যান্য পরিকাঠামো দিয়ে সাজিয়ে তুলেছিল শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন পর্ষদ।

এদিন দুপুরের পর থেকেই পুন্যার্থীরা তাদের ফল, ফুল ও অর্ঘ সাজিয়ে নিজ নিজ স্থান সাজিয়ে নেয়। বিকাল হতেই নদীর ঘাটে উপস্থিত হন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেনী কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী বুলু চিকবরাইক। সঙ্গে ছিলেন মাল মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রোশন প্রদীপ দেশমুখ, মাল থানার আইসি সমীর তামাং, মাল পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি সহ অন্যান্যরা।

অনুষ্ঠান মঞ্চে দাড়িয়ে মন্ত্রী শ্রী চিকবরাইক বলেন, আজ এখানে যেন মহান মিলন মেলা শুরু হয়েছে। একটা সময় ছিল যখন বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের মানুষ ছটপুজার ব্রত করতেন। কিন্তু, আজ বহু সম্প্রদায়ের মানুষ এই উৎসবে যোগ দেন। সবাই সুন্দর ভাবে পুজা দিচ্ছেন এটাই আমাদের ঐতিহ্য।

এদিন মাল নদীর পাশে মশলাপট্টি, শিবমন্দির ও শঙ্কনী ঝোড়ার পাশে সূর্যসেন কলোনি এলাকায় ছটপুজার আয়োজন ছিল। মালবাজার ছাড়াও ওদলাবাড়ি এলাকায় চেল, ঘিস ও আন্দাঝোড়া নদীর ধারে, মেটেলি ব্লকের কুর্তি, নাগরাকাটা এলাকার সুখানী ও ডায়না নদীর ঘাটে প্রবল উদ্দিপনা সহকারে ছটপুজা অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল ভোরে সুর্য প্রনামের মধ্যে দিয়ে উৎসবের সমাপন হবে জানান উদ্যোক্তারা।







