#মালবাজার: বুধবার রাতেই কোজাগরী লক্ষী পুজা। বাংলার ঘরে ঘরে পুজিতা হবেন ধন ও সৌভাগ্যের দেবী মা লক্ষী। লক্ষী পুজার অন্যান্য উপকরনের মধ্যে রয়েছে পদ্মফুল, শাপলা ফুল, আমের পল্লব, ধানেরশীষ। আগে গ্রাম বাংলার মানুষ এদিক ওদিক থেকে এসব সংগ্রহ করতেন। এখন শহর বাজারে রেডিমেড পাওয়া যায়। গ্রামের মানুষ এদিক ওদিক থেকে সংগ্রহ করে শহরের রাস্তার পাশে পসরা সাজিয়ে বসে।

- বাড়ির লক্ষীকে সাজিয়ে পুজা করতে মানুষ বাজার থেকেই এই সামগ্রী কিনে আনে। মালবাজার ডুয়ার্সের বড় শহর। প্রায় প্রত বাড়িতেই লক্ষী পুজার আয়োজন হয়। এজন্য লক্ষী পুজার সামগ্রীর বাজারে চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদা মেটাতে অনেক পসরা সাজিয়ে বসেন। এই রকম ভাবে বুধবার সকালে দেখা শহরের ঘড়িমোর এলাকায় শ্যাপলা, আমের পল্লব, ধানের শীষ, কলার খোলের পসরা সাজিয়ে বসেছেন তেশিমলা গ্রাম এলাকার বাসিন্দা মফিজুল হক।

এনেছেন শাপলাফুলের মুল যা আশ্বিনের সংক্রান্তিতে অনেকের খাদ্য তালিকায় থাকে।
নিজের মুখেই মফিজুল জানান, ৪০ বছর ধরে এই ব্যবসা করছি। আগে শিলিগুড়িতে ছিলাম। গত ২৩ বছর ধরে মালবাজারে বিভিন্ন পুজার সময় পসরা নিয়ে আসি। বেচাবিক্রি ভালো হয়’।
অনেকেই মফিজুলের কাছ থেকে ফুল পল্লব কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তা দিয়েই বাড়ির লক্ষী পুজা করবেন। স্থানীয় এক ক্রেতা জানান, মা’য়ের কাছে সবাই সমান। ওর জিনিসপত্র ভালো পুজায় লাগবে।







