
#মালবাজার: রবিবার ছিল ডুয়ার্সের শেষ বোনাসের হাট। মালবাজার মহকুমা এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় রবিবার সপ্তাহিক হাট বসে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ওদলাবাড়ি,মালবাজার, মেটেলি ও চম্পাগুড়ির সাপ্তাহিক হাট।পুজার মুখে চাবাগানের বোনাসের পর হাট নিয়ে ব্যবসায়ীর অনেক আশায় থাকেন দুরদুরান্ত থেকে ক্রেতা বিক্রেতা আসে এই হাটে। চাবাগান , পাহাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ জমায়েত হয় ডুয়ার্সের হাটে। কেনাকাটা করে বাড়ি ফিরে যায়। কিন্তু, মল ও অনলাইনের দাপটে হাট ব্যবসায়ী ও দোকানী দের আশায় ভাটা পড়েছে।

এদিন সকাল থেকেই হাটের জামাকাপড়, জুতো, স্টেশনারী দোকানে ভীড় ভালো ছিল। ব্যবসায়ীরা তাদের পশরা সাজিয়ে বসেছিল। কোন কোন বিক্রেতারা জানিয়েছেন পুজোর শেষ হাটে ভালোই বিক্রি হচ্ছে। আবার কেউ কেউ বলছেন, হাটে ভির আছে কিন্তু সেইভাবে বিক্রি নেই। ক্রেতারা শুধু দামদর করছে কিন্তু কিনছে কই? তাছারা এখন অন লাইনের দৌলতে সবাই বাড়িতে বসেই পুজোর কেনাকাটা করছে। তাই বিক্রি-বাট্টা সেরকম নেই।

ওদলাবাড়ির এক হাট ব্যবসায়ী জানান, বেচা বিক্রি ঢিলা আছে। সেরকম বিক্রি নেই।
মালবাজার শহরের স্টেশন রোড এলাকার এক প্রতিষ্ঠিত কাপড়ের রজিত সাহা জানান, আগের মতো সেই বিক্রি নেই। সবাই অনলাইনের দিকে ঝুকছে।

আর এক দোকানী জানান, রাত ৮টার পর বাজার ফাঁকা হয়ে যায়। চম্পাগুড়ি হাটের এক দোকানী মানিকচাঁদ প্রসাদ জানান, এখন চাবাগানের প্রত্যন এলাকায় মানুষ মোবাইলের মাধ্যমে জামা জুতা কেনাকাটা করছে। ফলে বাজারে বিক্রি কমেছে। এদিন মালবাজার শহরের তিনটি মলে ভীড় থাকলেও হাট বাজারে ভীড় সেরকম নজরে আসেনি।






