Explore

Search

July 11, 2026 9:09 pm

IAS Coaching

১২০কোটির দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন, দাবী পৌর কর্মী থেকে সদস্যদের

#মালবাজার: ডুয়ার্সের মাল পৌরসভায় ১২০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছ। যার জেরে চেয়ারম্যান স্বপন সাহাকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য নিলম্বিত করেছে। গত কয়েকদিন ধরে পৌরসভার একাধিক কাউন্সিলর ও পৌরকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে এই অভিযোগ বাস্তবে ভিত্তিহীন। জানাগেছে, স্থানীয় এক আইনজীবী পৌরসভার দুর্নীতি নিয়ে আদালতে মামলা করে। তারপরই রাজ্যের নগর উন্নয়ন দপ্তর ও অন্যান্য কয়েকটি দপ্তরের ১৩ জনের এক তদন্তকারী দল মাল পৌরসভায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর তদন্তে আসে।
তদন্ত চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস অনিদ্দ্বিষ্ট কালের জন্য চেয়ারম্যান স্বপন সাহাকে  নিলম্বিত করে। এনিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সোরগোল পড়ে যায়। ১২০ কোটি টাকার কথা বার বার উঠে আসে। ওইদিনই নিলম্বিত চেয়ারম্যান স্বপন জানিয়ে ছিলেন, “আমার দুটি একাউন্ট আছে। দুটির ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখিয়ে দেব যে কোথাও ১২০ কোটি টাকা ঢোকেনি। গতকাল চেয়ারম্যানের কথার প্রতিধ্বনি শোনা যায় দুই কাউন্সিলরের মুখে। তারা জানান, একটি “ই” গ্রেডের পৌরসভা। বার্ষিক সরকারি বলেন বরাদ্দ ৩ কোটি টাকা।
এছাড়া অন্যান্য কিছু বরাদ্দ পাওয়া গেছে। চেয়ারম্যান আছেন ৯.৬বছর। তাতে এতো টাকা হয় না। আর হাউজ ফর অল প্রকল্পের টাকা তো উপভোক্তাদের খাতায় জমা পড়েছে। সেখানে কিছু হেরফের হতে পারে। কিন্তু, পরিমাণ ১২০ কোটি নয়। কাউন্সিলরদের বক্তব্যের সায় পাওয়া গেছে পৌরসভার একাধিক কর্মীর মুখে। তারা জানান, পৌরসভার বরাদ্দই ওই পরিমাণ নয়। তাহলে এই বিশাল দুর্নীতি হলো কি করে? শুধু তাই নয়, রাজ্য সরকারী তদন্তকারী দলের সুত্র থেকে জানাগেছে, গত ৪ বছরে পৌর ও নগর উন্নয়ন দপ্তর থেকে ৯ কোটি বরাদ্দ এসেছে।
সেখানে হয়তো ৮-১০ লাখ টাকার গড়মিল থাকতে পারে। কিন্তু, সেটা ওই বিশাল পরিমাণ নয়। আরও জানাগেছে, নিলম্বিত চেয়ারম্যান স্বপন সাহা ২০১৪ সালের চেয়ারম্যান হন।২০১৫ সালে পৌর ভোটে তৃনমুল কংগ্রেসের একক ক্ষমতা দখলের পর চেয়ারম্যান হন। তারপর থেকে বর্তমান বছর বিভিন্ন খাতে পর্যন্ত যে বরাদ্দএসেছে  তার থেকে উন্নয়ন মুলক কাজও হয়েছে। হয়তো এদিক ওদিক কিছু হয়েছে। যেটা হওয়া উচিত ছিল না। কিন্তু, তার পরিমাণ ওই বিশাল নয়। এদিকে দুর্গাপূজা সমাগত, চেয়ারম্যান এখনো পদত্যাগ পত্র জমা দেননি। নতুন চেয়ারম্যান হিসাবে কেউ দায়িত্ব পায়নি।
গত সপ্তাহে বোর্ড মিটিংয়ের উপ পৌর প্রধান উৎপল ভাদুড়ি পৌর কর্মীদের বোনাস ও বেতনের কথা ঘোষণা করেন। কিন্তু, সোমবার পৌরসভার অ্যাকাউন্ট দপ্তরে গিয়ে খোজ করতেই  অ্যাকাউন্ট অফিসার সুরজ প্রধান জানান, পৌরসভার স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে ৪৬১ জন কর্মী আছে। এদের বোনাসের পরিমাণ প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা। বেতনের পরিমাণ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার বেশি। চেয়ারম্যান দপ্তরে নেই। নতুনভাবে কাউকে দায়িত্ব নেই। এমতাবস্থায় চেক সহ পেমেন্টসের সই করার সমস্যা হতে পারে। আশাকরি সমস্যা মিটে যাবে। সামগ্রিক ভাবে পুজার মুখে বিভিন্ন জটিলতায় মাল পৌর এলাকায় নানা সমস্যা উদ্ভব ঘটতে পারে বলে স্থানীয় মানুষের আশংকা।
Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja