#মালবাজার: রবিবার ছিল নদী বাঁচাও দিবস। এই উপলক্ষে একদিকে যখন নদীর তীরে কলাগাছ পুঁতে নদী বাঁচতে চলছে আরাধনা সেই সময় আর এক নদীর গর্ভে জেসিবি মেসিন দিয়ে নদীর বুকে খনন করে চলছে অবাধে বালিপাথর সংগ্রহ। রবিবার ডুয়ার্সের দুই নদীর তীরে এই দুই রকম দৃশ্য দেখা গেল। নদী আমাদের সভ্যতার বাহক, সেই প্রাচীন কাল থেকে নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল মানুষের সভ্যতা। সেজন্য নদীকে রক্ষা করা ও নদীর নাব্যতা বজায় রাখতে বছরের বিভিন্ন সময় নদীকে মার্তৃঞ্জানে পুজোর প্রথা চালু রয়েছে।

রবিবার নদী দিবস উপলক্ষে মেটেলি ব্লকের ধুপঝোড়া এলাকায় মুর্তি নদীর ধারে একাধিক পরিবেশ প্রেমী সংগঠনের পক্ষ থেকে রীতিমতো প্রথা মেনে মন্ত্র উচ্চারণের মধ্যে দিয়ে নদী পুজা করা হয়। উপস্থিত ছিলেন ডুয়ার্সের বিশিষ্ট পরিবেশ প্রেমী মানবেন্দ্র দে সরকার, অনির্বাণ মজুমদার, বাংলাদেশের নদী সংরক্ষণ আন্দোলনের কর্মী সৈয়দ কায়েশ কবি সহ অন্যান্যরা। মানবেন্দ্র দে সরকার বলেন, ডুয়ার্সের মুর্তি জলঢাকা নদীর জল বহু মানুষ দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করে। পাশাপাশি বনের পশুপাখিরা পান করে এবং কৃষিতে ব্যবহার হয়। এজন্য এইসব নদীর সংরক্ষণের বার্তা দিতে আজ এই আয়োজন।

এই দৃশ্যের পাশাপাশি ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চেল নদীর উজানে মানাবাড়ি চাবাগান
সংলগ্ন এলাকায় দেখা গেল নদীর বুকে জেসিবি মেসিন দিয়ে গর্ত খুড়ে বালিপাথর তুলে ডাম্পার বোঝাই হয়ে চলে যাচ্ছে অন্যত্র। সৃষ্টি হচ্ছে বড় বড় গর্ত। এই অবৈধ কারবার নিয়ে স্থানীয় মানুষ সোচ্চার হলেও এই কাজ বন্ধ হয়নি। মানাবাড়ি চাবাগানের শ্রমিকরা জানায়, প্রতিদিন পাথর বোঝাই ডাম্পার চলাচলের ফলে রাস্তা বেহাল হয়ে গেছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে। ভরা বর্ষায় একাজ বন্ধ হওয়া দরকার।







