
#ইসলামপুর: আসছে শারদোৎসব। দেবী মহামায়ার আবির্ভাব হবে মর্ত্যধামে। আকাশে বাতাসে পুজোর গন্ধ। মা আসছেন নিজগৃহে। প্রতিবছর দশমীতে বিসর্জন পর্বের পরই শুরু হয়ে যায় আসছে বছরের প্রতীক্ষা। মা আবার আসবেন এই আশাতেই দেখতে দেখতে কেটে যায় একটা বছর। মহালয়ার ভোর থেকে বাজতে শুরু করে পুজোর বাদ্যি। পিতৃপক্ষের অবসান হয়ে শুরু হয় দেবীপক্ষ।

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চিরাচরিত চন্ডীপাঠে আবেগ তাড়িত হয়ে পরে বাঙালীর মন প্রান হৃদয়। শুর হয়ে যায় দেবী বরণের প্রস্তুতি। আগমনীর সুরে বেজে ওঠে ঢাকের বাদ্যি। আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের মধ্যে দিয়ে কেটে যায় ষষ্ঠী থেকে দশমী। তাই বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি এখন ইসলামপুর শহরজুড়ে মন্ডপগুলিতে নাওয়া খাওয়ার জো নেই শিল্পীদের। আর মাত্র ১২ দিনের প্রতীক্ষা। এরমধ্যে গভীর নিম্নচাপের জেরে জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে প্রবল বর্ষণ।

বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই জোর কদমে চলছে পূজো প্রস্তুতি। হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটি দিন তারপরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। এরই মাঝে তীব্র গরমের পর টানা দুদিন ধরে শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। ফলে সমস্যায় পড়েছেন সমস্ত পুজো উদ্যোক্তারা। বৃষ্টির কারণে মৃৎশিল্পী থেকে শুরু করে পুজো মণ্ডপ তৈরি করতে হিমশিম খাচ্ছে শিল্পীরা। ফলে মাথার উপর বৃষ্টি নিয়েই কাজ করে চলেছেন মন্ডপশিল্পীরা।







