
#মালবাজার: মঙ্গলবার বিকেলে নাগরাকাটা ব্লকের চম্পাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের হিলা চাবাগানে চা পাতা তোলার কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হল পাচজন মহিলা চা-শ্রমিক। এঘটনায় ঐ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আহতদের সকলকেই উদ্ধার করে সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর বিকেল চারটা নাগাদ মাল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই তাদের নিয়ে আসা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর থেকেই নাগরাকাটা ব্লকে ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায়। নাগরাকাটার বাজার এলাকায় বৃষ্টি না হলেও পাহাড়ি এলাকা হিলা চাবাগানে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। ঠিক তখন চাবাগানের আপার হিলাতে ৩৫ নং সেকশনে মহিলা চা-শ্রমিকরা চাপাতা তোলার কাজ করছিল। সেই সময় আচমকাই বিকট শব্দ করে বজ্রপাত পাত হয়।বিদ্যুতের ঝলকানি চোখের সামনে দেখে বহু মহিলারা ভয় পেয়ে ছোটাছুটি শুরু করে দেয়।

কিছুক্ষণ পর দেখা যায়, বিলাসো মুন্ডা (৫৮), সীতা বাউনি (৬০), ইন্দ্রমায়া বাউনি( ৫৭), নর্বদা ছেত্রি (৫৮), মনু নেওয়ার ( ৪৬) জ্ঞ্যান হারিয়ে মাটিতে পড়ে আছে। সেই মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেই অনান্য শ্রমিকরা তাদের উদ্ধার করে সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে এদিন ঘটনাস্থলে চলে আসে চম্পাগুড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান রমেশ তিরকি, নাগরাকাটা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ প্রবিন সিং ঝা ও নাগরাকাটা থানার পুলিস।

প্রধান রমেশ তিরকি বলেন, চাবাগানে চাপাতা তোলার সময় বজ্রাঘাতে পাচজন মহিলা চা-শ্রমিক আহত হয়েছে। আমরা তাদের পাশে আছি। সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার সচিন চৌধুরী বলেন, বজ্রাঘাতে আহতদের শরিরের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। তাই প্রাথমিক চিকিৎসার পর সকলকেই মালসুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।






