#মালবাজার: এই বাংলার সাবেক কালের প্রথা রয়েছে বিশ্বকর্মা পুজার দিন ঘুড়ি ওড়ানো হয়।উত্তরের ডুয়ার্সে হাতিকে এদিন মহাসমারোহে পূজা করা হয়। তাই বিশ্বকর্মা পুজোর দিন এক বিরল দৃশ্যের সাক্ষী থাকলো ডুয়ার্স। প্রতিবছর নিয়ম নিষ্ঠা মেনে এই বিশেষ দিনেই দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার বাহন হাতি পুজোর আয়োজন করে গরুমারা এলিফ্যান্ট ক্যাম্প।

গত দুই দশকের বেশি থেকে মেটেলি ব্লকের ধুপঝোড়া গাছ বাড়ি এলিফ্যান্ট ক্যাম্পে হাতি পুজোর আয়োজন করে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বন্যপ্রাণ বিভাগ। মঙ্গলবার সকাল থেকেই এই পুজো উপলক্ষে সাজো সাজো রব ছিল ধুপঝোড়ায়। সকালে মূর্তি নদীতে হাতিদের স্নান করিয়ে নিয়ে এসে তাদের রং বেরংয়ের খড়ি মাটি দিয়ে সাজ সজ্জার কাজ করেন মাহুতরা।

ফুল, মালা, খড়িমাটি দিয়ে সাজানো হয় ডায়না, ফাল্গুনী ,কাবেরী সহ অন্যান্য হাতিদের। বিশ্বকর্মা পুজোর শেষে হাতিদের বরণ করেন গ্রামের মহিলারা, পুরোহিতের মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে পুজো করা হয় হাতিদের। গজরাজদের আখ, কলা ও বিভিন্ন ফল-মূল খেতে দেন গ্রামবাসীরা। এই পুজো উপলক্ষে প্রচুর পর্যটক ভিড় জমান ধুপঝোড়া এলিফ্যান্ট ক্যাম্পে। বছরের এই একটি বিশেষ দিনে হাতিদের সেবা করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না কেউই।

পুজোর পর সর্বসাধারণের জন্য ভোগের প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয় বন দফতরের তরফে।
হাতি পুজা উপলক্ষে এদিন তাদের ছুটি। আজ হাতিরা বিরাম নেবে। গতকাল থেকে খুলে গেছে বনের দরজা তাই ব্যাস্ততা শুরু হবে কুনকি হাতিদের। আজ পুজা উপলক্ষে বিশ্রাম।






