
#ইসলামপুর: উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর ১ নম্বর ব্লকের পাঞ্জিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত। ২০২৩ সালে সংখ্যা গরিষ্ঠ ভাবে দখল করে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধান হন মহম্মদ রাহি। প্রায় ১ মাস প্রধান থাকার ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দুষ্কৃতীরা গুলি করে খুন করে পাঞ্জিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মহম্মদ রাহিকে। এরপর প্রধানের ইনচার্জ হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাজা সিং কে। প্রায় ১ বছরের মাথায় আবার পুনরায় প্রধান গঠন হতে চলেছে পাঞ্জিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের। তৃণমূলের হয়ে প্রধানের দাবিদার ছিল দুইজন।

শেষমেশ দলের তরফ থেকে অবেদুল্লা শামস ওরফে মুন্নাকে প্রধান পদের প্রার্থী করা হয়। অপরদিকে বিরোধীরা প্রার্থী করেন বামফ্রন্টের প্রার্থী শামিম আক্তার কে। মোট ২৯ জন পঞ্চায়েত সদস্যদের মধ্যে ভোট হয়। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী অবেদুল্লা শামস ওরফে মুন্না ২১ টি ভোট পায়। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী ৮ টি ভোট পায়। শেষমেশ ১৩ টি ভোটে জয়ী হয়ে তৃণমূলের প্রধান হন তিনি।

উল্লেখ্য,পাঞ্জিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট সদস্য সংখ্যা ৩০ জন । তৃণমূল ১৮ জন, বিজেপি ৩ জন, কংগ্রেস ৬ জন, সিপিআইএম ২ এবং নির্দল ১ জন। নব নির্বাচিত তৃণমূলের প্রধান অবেদুল্লা শামস ওরফে মুন্না বলেন, প্রধান খুন হওয়ার পর গ্রাম পঞ্চায়েতের দায়িত্ব সামলান উপপ্রধান রাজা সিং। প্রাক্তন নিহত প্রধান মহম্মদ রাহির স্বপ্ন ছিল এলাকায় উন্নয়ন মূলক কাজ করার। তার স্বপ্ন পুরণ করবেন তিনি।

এবং নিহত প্রাক্তন প্রধান মহম্মদ রাহির পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলার বার্তা দেন তিনি। অন্যদিকে প্রধান গঠন নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য মোতায়েন করা বিশাল পুলিশ বাহিনী। গোটা পঞ্চায়েত এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুরে রাখা হয়েছিল।






