#মালবাজার: ভগ্ন প্রায় রাস্তা নতুনভাবে নির্মাণ করার দাবিতে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালো তেশিমলা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। বিগত কয়েক বছর ধরে এই ভাঙ্গা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন বহু মানুষ। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, বহু গ্রামবাসী মালবাজার শহরে যাওয়ার জন্য এই একটি মাত্র রাস্তায় ব্যবহার করেন। মালবাজার থেকে কম সময়ে জলপাইগুড়ি যেতে হলে ক্যালটেক্স মোড় থেকে বড়দিঘী হয়ে রাস্তাটি ব্যবহার করে থাকেন অনেকেই।

আর সেই রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে সোচ্চার হয়েছে তেশিমলার গ্রামবাসী থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তেশিমলা গ্রাম পঞ্চায়েতের দু’নম্বর ঘুমটি এলাকায় প্রথম পথ অবরোধ শুরু হয়, পরবর্তীতে সেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে প্রধান মোড় এবং মহাকাল মোড় এলাকায়। মহাকাল মোড় এবং দু’নম্বর ঘুমটিতে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে উত্তেজিত গ্রামবাসী।

গ্রামবাসীদের এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, তিন মাস আগেও এই রাস্তাটি মেরামতি করা হয়েছিল , তার কিছুদিন পরেই রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ১৮ লক্ষ টাকার টেন্ডার হওয়ার পরেও সঠিকভাবে রাস্তা মেরামতি হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, নতুন ভাবে রাস্তা তৈরীর জন্য পি ডব্লিউ ডি টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুক, নচেৎ তাদের এই গণ আন্দোলন ভবিষ্যতে বৃহৎ রূপ ধারণ করবে।

দু’নম্বর ঘুমটি এবং প্রধান মোড়ে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেও মহাকাল মোড় এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ওয়ারিশুল আম্বিয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আরমান আরশাদ, তেশিমলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জয়ন্তী বর্মন, সহ অন্যান্য গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য এবং তৃণমূল নেতৃত্ব।

পরবর্তীতে মাল থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, এবং পুলিশের উপস্থিতিতেই পি ডব্লিউ ডি এর আধিকারিক এবং মাল ব্লকের জয়েন্ট বিডিও নতুন করে রাস্তা নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়। অন্যদিকে পিডব্লিউডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই একটি আনুমানিক খরচের হিসেব সহ নবান্নে পাঠানো হয়েছে সবুজ সংকেত আসলেই টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে।





