
#মালবাজার: ডুয়ার্সের নাগরাকাটা ব্লকের প্রত্যন্ত চাবাগান বামনডাঙ্গা। গরুমারা ও ডায়না বনাঞ্চল লাগোয়া এই চা বাগানে গত একসপ্তাহে চিতাবাঘের আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২২টি ছাগল ও ১৫টি গরু। এই চাবাগানে চিতাবাঘের আতঙ্ক এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে, চাবাগানে পাতা তোলার কাজ করার আগে বোমপটকা ফাটিয়ে, নিশ্চিত হয়ে, তবেই কাজ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য গত গত একসপ্তাহ আগে এই চাবাগানের এক ছয় নম্বর সেকশনে বনদপ্তরের পেতে রাখা খাচায় ধরা পড়ে ছিল একটি বিশাল চিতাবাঘ। তারপরের দিন থেকেই এই চাবাগানে শুরু হয়ে যায় চিতাবাঘের অত্যাচার। ছাগল গরু তুলে নেওয়ার পাশাপাশি চাবাগানে কাজ করতে গেলে শ্রমিকদের তাড়া করছে চিতাবাঘ এমনটাই অভিযোগ শ্রমিকদের। এরপর থেকেই চাবাগানে কাজ শুরু করার আগে বোমপটকা ফাটিয়ে চিতাবাঘ তাড়িয়ে তবেই কাজ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য নাগরাকাটা ব্লকের মধ্যে প্রতন্ত্য এই চাবাগানটি গরুমারা ও ডায়না জঙ্গল দিয়ে ঘেরা রয়েছে। একপাশে রয়েছে ডায়না নদী। অন্যপাশে রয়েছে জলঢাকা নদী। এই চাবাগানে দিনের বেলায় চিতাবাঘের হামলা হয়। রাতে শুরু হয় বুনো হাতির হামলা।শ্রমিক মহল্লায় ঢুকে ঘরবাড়ি ভেঙে খাওয়ার খেয়ে চলে যায়। দিনে চিতা রাতে হাতির হামলায় আতঙ্কেই দিন কাটাচ্ছে বামনডাঙ্গা চাবাগানের বাসিন্দারা।

অপরদিকে মাল ব্লকের কুমলাই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সোমবার রাতে বুনো হাতির হামলায় তিনটি বাড়ি ধূলিসাৎ হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পঞ্চমী ওঁরাও জানান, রাত ২টা নাগাদ লাটাগুড়ি জঙ্গল একটি হাতি আমাদের স্টেশন পাড়ায় আসে। পর পর তিনটি বাড়ি ভেঙে গোলায় রাখা ধান ও আনাজপাতি খেয়ে চলে যায়। এখন রোজ বৃষ্টি হচ্ছে এরই মাঝে হাতি আসে। ক্ষতি করে চলে যায়। কোনক্রমে এদিক ওদিক পালিয়ে বাঁচি।




