
#মালবাজার: আবারও চেল নদীর ধারে জমি নিয়ে চাবাগান ও স্থানীয় বস্তিবাসীদের বিবাদ। জমি প্রকৃত স্ট্যাটাস কি? তা পর্যবেক্ষনের এসে কাজ করতে না পেরে ফিরে গেলেন আদালতের কমিশনার। বিবাদে জখম হলো এক স্থানীয় মহিলা। ঘটনাটি ঘটেছে মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চেল নদীর ধারে।

জানাগেছে, গত কয়েক বছর ধরে চেল নদীর ধারে প্রায় ৪৫ একর পরিমাণ একটি জমি নিয়ে রানীচেরা চাবাগান কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় এলাকার বাসিন্দাদের বিবাদ চলছে। গত ৩১ জানুয়ারি জমি অধিকারের দাবি নিয়ে বাসিন্দারা জাতীয় সরক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। তার আগেও বিবাদ হয়েছিল অপর দিকে চাবাগান কর্তৃপক্ষের দাবি ওই জমি সরকারি ভাবে তাদের নামে লিজ রয়েছে। তার বৈধ নথিপত্র রয়েছে।ওখানে আবাদে বাধা দিচ্ছে কিছু বহিরাগত।
উভয় পক্ষের বিবাদের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

জমির প্রকৃত অবস্থান ও স্ট্যাটাস জানতে আদালত কমিশনার নিয়োগ করেন। শনিবার দুফুরে আদালত নিযুক্ত কমিশনার ঘটনাস্থলে এলে আবারও দুই পক্ষ বিবাদে জরিয়ে পড়ে।
চাবাগান কর্তৃপক্ষের আইনজীবী বলেন, এখানে চাবাগানের নামে সরকারি লিজ জমি রয়েছে। চাবাগান আবাদ করতে এলে বার বার বাধার সম্মুখীন হচ্ছিল। ৪ জনকে পার্টি করে আদালতে মামলা করা হয়। আজ আদালতের কমিশনার এসেছিলেন। কিন্তু, প্রায় চারশ জনের মতো বহিরাগত মানুষ এসে বিবাদ করে। কমিশনার ফিরে যেতে বাধ্য হন। আমরা আবার বিষয়টি আদালতকে জানাব।

অপর দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের আইনজীবী চিরঞ্জীব সরকার বলেন, কমিশনারের আসার কথা ছিল ১১ টায়। কিন্তু, তিনি চাবাগানের গাড়িতে এলেন প্রায় ১.৩০ মিনিট নাগাদ। তারপর স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন জমি অবস্থান দেখাতে গেলে। চাবাগানের লোকজন ঝামেলা করে। দুপক্ষের বিবাদে একজন আহত হয়। কমিশনার ফিরে যান। আমরা আদালতে আবারও জানাব। এনিয়ে চাবাগানের ম্যানেজার বলবিন্দর সিং বাজুয়া বলেন, আমরা আইন মেনেই চলব। সব ঘটনা আদালতে জাবাব।

তবে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা কুসুম রায় বলেন, ওই জমিতে প্রায় ৭০-৮০ বছর বেশ কিছু পরিবার বসবাস ও আবাদ করে আসছে। আমার জন্মের আগে থেকেই ওনারা আছেন। এখন চা বাগান বলছেন জমি তাদের। অথচ বাসিন্দাদের পঞ্চায়েত খাজনার রসিক, ইলেক্ট্রিসিটি বিল সহ অন্যান্য নথিপত্র আছে। বিষয়টি দ্রুত মিমাংসা হওয়া উচিত।




