
#মালবাজার: চা-বাগানে গণধর্ষণের শিকার এক নাবালিকা৷ ডুয়ার্সের মাল মহকুমা’র মেটেলি ব্লক এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে৷ অভিযুক্তদের মধ্যে কন্যার প্রেমিক সহ রয়েছে সাতজন রয়েছে। সবাইকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে ৪ জন নাবালক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছ, দু’দিন আগে আলিপুরদুয়ার জেলার ৪জন সহ ছ’জন ছেলে ডুয়ার্সের মেটেলি থানা এলাকায় এক চাবাগানে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে আসে৷

তার পর তারা বন্ধু ও বন্ধুর নাবালিকা প্রেমিকাকে নিয়ে চা-বাগানে যায়৷ সেখানে প্রেমিক ও তার বন্ধুরা মেয়েটিকে ধর্ষণ করে৷ সেই সময় তারা ভিডিয়ো রেকর্ডও করে৷ গত রবিবার সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে যায়৷ তার পরই এই নিয়ে হইচই পড়ে৷ আরও জানাগেছে, ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের তরফে নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়৷ কিন্তু, নাবালিকার পরিবার মেটেলি থানায় ৭ জনের নামে এজাহার দায়ের করে৷

তার পর জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে সাত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ সুপার খান্ডবাহালে উমেশ গণপত জানান, মেটেলি থানা এলাকায় একটা ঘটনা ঘটেছিল। বন্ধুর বাড়িতে ঘুরতে এসেছিল ছ’জন। এরপর সাতজন মিলে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করার ঘটনা ঘটে। একটা ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। অভিযোগ দায়ের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তদন্ত শুরু হয়৷

মেটেলি থানার একটি চা-বাগান থেকে তিনজন, জটেশ্বর ও শামুকতলা এলাকা থেকে আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে চারজন নাবালক রয়েছে। তিন সাবালক অভিযুক্তকে মঙ্গলবার আদালতে তোলা হলে পুলিশ দুইজনকে রিমান্ডে নেয়। এনিয়ে মেটেলির নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা সমাজ কর্মী মেনুকা সাহা প্রধান বলেন, মোবাইল ফোনের খারাপ ব্যবহার করছে অল্প বয়েসের ছেলেমেয়েরা।

এদের কাউন্সিলিং করা দরকার। পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া উচিত। এজাতীয় ঘটনা অত্যন্ত নিন্দার যোগ্য। ভাবতে অবাক লাগে অভিযুক্তদের মধ্যে ৪ জন নাবালক। এনিয়ে সরকারি আইনজীবি অপুর্ব ঘোষ জানান, আজ অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হয়েছিল। পুলিশ দুজনকে রিমান্ডে নিতে চায়। আদালত সেটা মঞ্জুর করেছে। এই ঘটনায় গোটা মেটেলি ব্লকে চাঞ্চল্য সৃষ্ঠি হয়। বহু মানুষ এই ঘটনার নিন্দা করেছে।




