
#দেবলীনা ব্যানার্জী, রায়গঞ্জ: বিধানসভা উপনির্বাচনকে ঘিরে মঙ্গলবার তুমুল ব্যস্ততা ছিল রায়গঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের একমাত্র ডিসিআরসি পলিটেকনিক কলেজে। একে একে নির্বাচনের যাবতীয় সরঞ্জাম নিতে হাজির হন ভোটকর্মীরা। মেঘলা আকাশ ও ঝলমলে রোদের লুকোচুরির মধ্যে ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল হতে দেখা যায় ভোটকর্মীদের। মূলত রায়গঞ্জ পার্শ্ববর্তী বিধানসভা গুলি থেকেই ভোটকর্মীদের নিয়ে আসা হয়েছে এই উপনির্বাচন পরিচালনার জন্য।


ভোটকেন্দ্রে পরিচালনার দায়িত্বে যে সরকারি কর্মীরা থাকবেন, তাদের নিজেদেরও কিছু দাবি দাওয়া রয়েছে। এমনই এক ভোটকর্মী পেশায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাবলু গিরি জানান, তিনি সুদূর মেদিনীপুর থেকে চাকরির সুবাদে এখানে রয়েছেন। কিছুদিন আগে লোকসভা নির্বাচনে ভোটকর্মী হিসেবে অংশ নিয়েছেন, এবার আবারও সরকারি নির্দেশে উপনির্বাচনে অংশ নিতে হাজির হয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারি কর্মী হিসেবে নির্দেশ এলে দায়িত্ব পালন করতেই হবে। তা নিয়ে কোনো ক্ষোভ নেই। কিন্তু বাড়ি থেকে এত দূরে আমার মত আরও যেসব সরকারি কর্মীরা রয়েছেন তাদের কথা সরকারের চিন্তা করে দেখা উচিত।

বাড়িতে বয়স্ক বাবা মায়ের পাশাপাশি অনেকেরই স্ত্রী সন্তান রয়েছেন। চাকরির জন্য তাদের ছেড়ে একা একা এতদূরে থাকা খুবই অসুবিধাজনক। যদি বাড়ির আশেপাশে তাদের পোস্টিং হয় তাহলে নিজেদের চাকরির দায়িত্বের পাশাপাশি সরকারি সকল দায়িত্ব পালনে কোনো সমস্যা থাকে না। পাশাপাশি নিজেদের বাড়িতেও সকল সমস্যার সমাধান হয়। মেদিনীপুর থাকে আসা অপর এক ভোটকর্মী প্রভাত কুমার দাসের বক্তব্যও একই। তিনি বলেন চাকরির সুবাদে উত্তর দিনাজপুরে থাকতে হয়, সকল সরকারি ডিউটি পালন করতে হয়। কিন্তু সরকারি কর্মীদের অসুবিধা সরকার তেমন আমল দিচ্ছে না। বারংবার আবেদনের পরেও বদলির কোনো খবর তারা পাননি বলে অভিযোগ করেন।






