#মালবাজার: শুকরা মুন্ডার মালবাজার আসন জয় যেন “আসিলাম দেখিলাম জয় করিলাম”। ডুয়ার্সের হেভি ওয়েট তৃণমূল প্রার্থী বুলু চিকবড়াইককে হারিয়ে জয় হাসিল করবার পর বিজেপি প্রার্থী শুকরা মুন্ডার বডি ল্যাঙ্গুয়েজে জুলিয়াস সিজারের এই উক্তি স্মরণ করিয়ে দিল। শুক্রা মুন্ডার বাড়ি ডুয়ার্সের নাগরাকাটা ব্লকের গাঠিয়া চাবাগানে।

তার রাজনৈতিক জীবন ইতিহাস বহুল। ২০১৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেস তাকে নাগরাকাটা আসনের প্রার্থী করেছিল। সেবার তিনি বিধায়ক হয়েছিলেন। ২০২১ সালে বিজেপিতেই যোগদান করে। তারপর থেকেই বিজেপির নেতৃত্বে কাজ করে চলছিলেন। ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্ঘন্ট গঠিত হওয়ার পর বিজেপি নেতৃত্ব শুক্রা মুন্ডাকে মালবাজার বিধানসভা আসনের প্রার্থী করে।

সেই সময় তাদের দলের কিছু কর্মী সমর্থক তাকে বহিরাগত বলেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসও তাকে বহিরাগত তকমা দিয়ে প্রচার করেছিল। শুক্রাবাবু সেসব গায়ে মাখেননি। প্রার্থী হয়েই তিনি মালবাজার শহরে চলে আসেন এবং শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ঘর ভাড়া নিয়ে প্রচার শুরু করে দেন। দলীয় কর্মীদের একত্রিত করে চা বাগান থেকে এই গ্রাম, গ্রাম থেকে বনবস্তি প্রচার শুরু করেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রচার করেছেন।

কারো বিরুদ্ধে কোন কটুক্তি না করে নিজের মতো করে প্রচারের গুটি সাজিয়ে মানুষের কাছে তার উপস্থিতি পৌঁছে দিয়েছেন। আর এই নিরলস কর্মের মাধ্যমে তার সাফল্য এসেছে। সোমবার সকালে পৌঁছে যান কাউন্টিং সেন্টার পরিমল মিত্র স্মৃতি মহাবিদ্যালয়। ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন। সবার শেষে বিজয়ের শংসা পত্র নিয়ে বের হন। তার শরীরের ভাষা যেন বলে দিচ্ছিল ভিসি ভিডি ভিনি।

কাউন্টিং সেন্টার থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পরিষ্কার জানালেন, আজ যেখানে কাউন্টিং হচ্ছে এইরকম একটি কলেজ স্থাপন এবং মাল ও ক্রান্তি ব্লকের মাঝে চেল নদীর সেতু নির্মাণ নিয়ে উদ্যোগ নেব এবং এই কাজের প্রতি প্রাধান্য দেব।






