#মালবাজার: ডু য়ার্সের নাগরাকাটা বিধানসভা চা বাগান অধ্যুষিত এলাকা। স্বাভাবিকভাবেই চা বাগানের শ্রমিকরা এই বিধানসভার ভাগ্য নির্ধারণ করে থাকেন। এজন্যে প্রতিটি রাজনৈতিক দল চা বাগানে বিশেষ নজর দেন। এক একটি চা বাগানে প্রায় দুই থেকে চার হাজার ভোট পর্যন্ত থাকে। এই ভোটের লক্ষ্যে ঝাপিয়ে পড়েছে বিভিন্ন দল। ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস তাদের দলীয় প্রার্থী সঞ্জয় কুজুর কে জিতিয়ে আনতে চা বাগানের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন চা বাগানে মেলা মিটিং শুরু করেছে।

ডুয়ার্সের চা বাগান গুলিতে শ্রমিকরা যখন পাতা তোলার কাজে যোগদান করেন তার আগে এক জায়গায় সবাই সমবেত হন তারপর পাতা তোলা শুরু করেন।চা বাগানের স্থানীয় ভাষায় এই সমবেত হওয়াকে মেলা বলে। এই মেলাকে টার্গেট করে প্রার্থীর অনুকূলে প্রচার শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার ভারত ভুটান সীমান্তে অবস্থিত ক্যারন চা বাগানে প্রচার অভিযান করতে দেখা গেল দলের স্থানীয় নেতৃত্বেকে।

তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প লক্ষীর ভান্ডার যুবশ্রী যুব সাথী সহ বিভিন্ন প্রকল্প এবং তার সুফল সাধারণ শ্রমিকদের সামনে তুলে ধরেন এবং রাজ্যে তৃণমূল সরকারের কেন দরকার সে নিয়ে আলোচনা করেন। এদিন এই প্রচার অভিযানে ছিলেন আজাদ আনসারী, চম্পাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রমেশ তির্কি, শ্রমিক নেতা সুরেশ ওরাও, যুবনেতা প্রবীন সিং ঝা প্রমুখ।








