#মালবাজার: কোটি কোটি টাকা লুটের পরেও সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন মুক্তি পায় অথচ আমার আপনার মতো সাধারণ মানুষকে সামান্য নামের বানান ভুলের জন্য বিচারাধীন থাকতে হয় “। বৃহস্পতিবার বিকালে নাগরাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী দিলকুমার ওরাও’য়ের সমর্থনে মেটেলি ব্লকের ধুপঝোড়ায় এক জনসভায় এই কথা বলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহহ্মদ সেলিম।

তিনি আরও বলেন, যখন কোটি কোটি টাকা লুট করে সারদা কর্তা গা’ঢাকা দিলেন তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যা যাওয়ার তা গেছে। সেই লুটের টাকা নিয়ে কেউ হলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী আবার কেউ বিজেপির নেতা কেউবা তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী। এভাবেই লুট হলো মানুষের টাকা অথচ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার সব মামলা তুলে নিয়ে সারদা কর্তাকে মুক্তি দিয়ে দিন।

এদিন সেলিম সাহেব কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন, আমাদের বামফ্রন্ট যখন ক্ষমতায় আসে তখন শিক্ষা বিকাশের জন্য প্রাইমারি স্কুলকে জুনিয়র হাই, জুনিয়র হাইকে হাইস্কুলে পরিনত করেছিল। কলেজ স্থাপন করেছিল। আমরা বিশ্বাস করি শিক্ষার মাধ্যমে জাতির বিকাশ হয়।কর্মসংস্থানের জন্য নিয়ম করে পিএসসি, এসএসসি সহ বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ হতো। অথচ এখন কি রাজ্য কি কেন্দ্র সরকারের চাকুরির নিয়োগ নেই। স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গড়ে উঠছে বেসরকারি স্কুল। সেখানে আপনার ছেলে মেয়েকে পড়াবেন তাতে খরচ বাড়বে অথচ আপনার আয় বাড়ছে না।

এইরকম অবস্থায় তৈরি হয়েছে। আমরা তিল তিল করে বামফ্রন্ট সরকার গড়ে তুলেছিলাম, চেয়েছিলাম শিক্ষার বিকাশ শিল্পের বিকাশ। এখন সব স্তব্ধ। শুধু ভোট এলে বিঞ্জাপন শুরু হয়। এইতো বিজেপি নেতা এসে বললেন, আমরা ক্ষমতায় এলে চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুর স্থির করব। আসামে ওদেরই সরকার আছে কিন্তু সেখানে ন্যূনতম মজুরি আজ স্থির হয়নি। সব মিথ্যা প্রতিশ্রুতি। এভাবেই কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারের সমালোচনা করেন পলিটব্যুরোর সদস্য মোঃ সেলিম। সেলিম ছাড়াও এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখেন নাগরা কাটা বিধানসভা প্রার্থী দিল কুমার ওরাও, মাল বিধানসভার প্রার্থী মনু ওরাও সহ অন্যান্যরা।








