
#মালবাজার: ক্রান্তি ব্লকের রাজাডাঙা পঞ্চায়েত ও মাল ব্লকের কুমলাই গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত চেল নদী।এই চেল নদীতে সেতু নির্মানের দাবীতে,এলাকার নাগরিক মঞ্চের উদ্যোগে গনস্বাক্ষর সহ মঙলবার রাজাডাঙা থেকে মালবাজার পর্যন্ত দীর্ঘ পচিশ কিলোমিটার পদযাত্রা শেষে সেতু নির্মানের দাবীতে স্বারকলিপি দেওয়া হল মাল মহকুমা শাসক,ও মাল সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিককে।

চেল নদীর উপর সেতু নির্মান শুধু শ্লোগান না,এটি একটি গনদাবী।কৃষি প্রধান এলাকার এই গুরুত্বপুর্ন দাবীর উদ্যোক্তা নাগরিক মঞ্চের সভাপতি পদ্মশ্রী করিমুল হক পদযাত্রার উদ্বোধন করে বলেন এই দাবী, আমাদের আদায় করতে হবে।এটা মানুষের দাবী।

চেল নদীর উপর সেতুর দাবী আজ ঐতিহাসিক দাবীতে পরিনত।এটা কয়েক যুগের দাবী।মুলত রাজাডাঙা, ক্রান্তি,চেংমারী ও চাপাডাঙা কৃষিপ্ননের ভূমি।এখানকার উৎপন্ন ফসল জেলার বিস্তূর্ন এলাকায় চাহিদা পুরণ করে।ফসলের ঊৎপাদন খরচার সাথে শিলিগুড়ড়ী মালবাজারে নিয়ে যাওয়ার পরিবহন খরচায় অতিষ্ট। যে দাম পাওয়া যায় তাতে লোকসানের পাল্লা ভারী।তাছাড়া প্রাশাসনিক কাজে মালবাজারে যেতে হবে।রাজাডাঙা থেকে চেল নদী পার হয়ে মালবাজার ২৫ কিলোমিটার।আর ক্রান্তি লাটাগুড়ী হয়ে মালবাজার চল্লিশ কিলোমিটার ও ওদলাবাড়ী হয়ে মালবাজার ৪২ কিলোমিটার।এতে সময় বেশী লাগে ও খরচা বেশী।

চেল নদীর উপর সেতু হলে ২৫ মি লাগবে যেতে।খরচা কম ও কৃষক দাম পাবে পন্যের। সেতু হলে ক্রান্তি ব্লক এলাকার অর্থনৈতিক উন্নতির পথ প্রসারিত হবে। রাজাডাঙা এলাকার কৃষক নেতা আবেদ আলী নাগরিক। মঞ্চের পদযাত্রাকে সমর্থন করে বলেন এই এলাকার সবাই চায় সেতু হোক।সরকারের কোন চেষ্টা বা উদ্যোগ নাই।অবহেলা করা হচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে রাজ্য সরকারের কোন সদিচ্ছা নাই।

তৃণমূল কংগ্রেসের ক্রান্তি ব্লক সভাপতি মহাদেব রায় বলেন চেল নদীর উপর সেতু হলে ক্রান্তি।ব্লক এলাকার উন্নতি হবে। মঞ্চের সম্পাদক মহ নুর নবিউল ইসলাম জানান তারা স্বারকলিপি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানর অনুরোধ করেছেন।নুর নবিউল ইসলাম আরও বলেন তাদের দাবী পুরণ না হলে দরকার হলে ভোট বয়কটের পথে যাবেন।






