Explore

Search

November 5, 2026 9:38 am

IAS Coaching

হাতি-মানুষ সংঘাত এড়াতে বিঞ্জান ভিত্তিক সহবস্থান দরকার: পার্বতী বড়ুয়া

#মালবাজার: ডুয়ার্সের তিস্তা নদীর পুর্ব প্রান্ত থেকে আসাম সীমান্তের সংকোশ নদীর পশ্চিম সীমারেখা পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে চাবাগান, বনবস্তি, গ্রামাঞ্চল ও বনাঞ্চল। রয়েছে বন্যপ্রাণীর যাতায়াতের জন্য অর্ধ শতক কোরিডোর। গত কয়েক দশক ধরে এই অঞ্চলে ক্রমাগত ভাবে বাড়ছে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে সংঘাত। এই সংঘাতের ফলে কোথাও মানুষের সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে, মারা যাচ্ছে মানুষ। আবার কোথাও বন্যপ্রাণী বে-ঘরে মারা যাচ্ছে কিম্বা আঘাত পাচ্ছে।
এই সংঘাত নিয়ে বনকর্মী থেকে পরিবেশ কর্মী সবাই উদ্বিগ্ন। কিভাবে এই সংঘাত এড়ানো সম্ভব? এই প্রশ্ন রাখা হয়েছিল বিশিষ্ট হস্থী বিশেষজ্ঞ এবং হস্থী কন্যা রুপে পরিচিত পদ্মশ্রী পার্বতী বড়ুয়ার কাছে। উত্তরে তিনি জানান, বর্তমান যা পরিবেশ তাতে বিঞ্জান ভিত্তিক বাস্তুতন্ত্র অনুযায়ী সহ অবস্থান। বুধবার পদ্মশ্রী শ্রীমতী বড়ুয়া এসেছিলেন কালিম্পং জেলার সামসিংয়ে ন্যাফের প্রকৃতি পাঠ শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।
সেখানেই তাকে তার কাছ থেকে এই উদ্বেগ জনক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান। বর্তমানে মানুষের সংখ্যা বেড়েছে, গড়ে উঠেছে নতুন নতুন জনপদ। বন্যপ্রাণীর কোরিডোরে বসতি, চাবাগান গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি বনের পশুপাখির সংখ্যা বাড়ছে। বনভূমির আয়তন সীমিত। এই পরিবেশে বিঞ্জান ভিত্তিক বাস্তুতন্ত্র অনুযায়ী সহবস্থান গড়ে তোলা জরুরি। কারণ হাতির মতো প্রানীরা না বাঁচলে আমরা বাঁচবো না। পাহাড়ের পরিবেশ একরকম আবার সমতলে আলাদা। নদীর কিনারার বাস্তুতন্ত্র ভিন্ন ধর্মী। প্রতিটি এলাকায় পরিবেশ অনুযায়ী বিঞ্জান ভিত্তিক সহবস্থান ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার। আমি অন্তত এটাই বুঝি।
Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja